শ্রী কৃষ্ণ গোবিন্দ হরে মুরারে *হে নাথ নারায়ণ বাসুদেব। *

* শ্রী কৃষ্ণ গোবিন্দ হরে মুরারে *
* হে নাথ নারায়ণ বাসুদেব। *

।  * অন্তর্নিহিত অর্থ *
* · · • • • • • • • • ✤ • • • • • • • • • • · · *
* সৌজন্য: আধ্যাত্মিক ওয়ার্ল্ড হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ *
* · · • • • • • • • • ✤ • • • • • • • • • • · · *

* ইশরিকৃষ্ণ: – *

প্রভু, আপনি সকলের হৃদয়কে আকর্ষণ করেছেন তাই আপনি আমার মনকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করতে পারেন এবং আপনার ভক্তিমূলক পরিষেবাটিকে আরও শক্তিশালী করতে পারেন।

* ବି গোবিন্দ: – *

হে গোবিন্দ, অর্থাৎ Godশ্বরই গো এবং ইন্দ্রিয়গুলিকে রক্ষা করেন।  আপনি আমার ইন্দ্রিয় রক্ষা করুন।  তুমি তোমার কাছে আমার জ্ঞান ফাটিয়ে ফেলছ।

* বিকালে: – *

হে কৃপণ মানুষ, আমার দুঃখ দূর কর।

* আমুর: – *

তা হল, হে মুর দানবের শত্রু, আমার ভিতরে বসে কর্ম-ক্রোধ দানবের ধ্বংসকারী।

* হে নাথ: – *

তুমি নাথ এবং আমি অনাথ এবং তোমার দাস।  আমার অনাথ অনুভূতি সর্বদা আপনার মতো নাথের সাথে যুক্ত থাকুক।

* আনারায়ণ: – *

আমি নর আর তুমি নারায়ণ।  আমি আপনাকে খুঁজে পেতে আপনার অর্ডার পথে তপস্বী।

* ସୁ বাসুদেব: – *

বসু মানে আত্মা বাঁচাও আমার প্রাণকে।  আমি তোমার প্রতি আমার হৃদয় নিবেদিত

✿❁❣️ * ༒  জয় শ্রী কৃষ্ণ * ༒ ❣️❁✿

ଶ୍ରୀକୃଷ୍ନ ଗୋବିନ୍ଦ ହରେ ମୁରାରେହେ ନାଥ ନାରାୟଣ ବାସୁଦେବ । ଅର୍ଥ।

ଶ୍ରୀକୃଷ୍ନ ଗୋବିନ୍ଦ ହରେ ମୁରାରେ
ହେ ନାଥ ନାରାୟଣ ବାସୁଦେବ ।

. ଅନ୍ତର୍ନିହିତ ଅର୍ଥ
· · • • • • • • • • • ✤ • • • • • • • • • · ·
ସୌଜନ୍ୟ: ଆଧ୍ୟାତ୍ମ ଜଗତ ହ୍ବାଟ୍ସଆପ୍ ଗୃପ୍
· · • • • • • • • • • ✤ • • • • • • • • • · ·

🔘ଶ୍ରୀକୃଷ୍ଣ:-

ହେ ପ୍ରଭୁ, ଆପଣ ସମସ୍ତଙ୍କର ମନକୁ ଆକର୍ଷିତ କରିଲାବାଲା, ଏଣୁ ଆପଣ ମୋର ମନ ନିଜ ଆଡକୁ ଆକର୍ଷିତ କରି ଆପଣଙ୍କ ଭକ୍ତି ସେବା ଆଡକୁ ସୁଦୃଢ଼ କରନ୍ତୁ।

🔘ଗୋବିନ୍ଦ:-

ହେ ଗୋବିନ୍ଦ, ଅର୍ଥାତ୍ ଗୋ ତଥା ଇନ୍ଦ୍ରିୟଗଣଙ୍କୁ ରକ୍ଷା କରିବା ବାଲା ଭଗବାନ। ଆପଣ ମୋର ଇନ୍ଦ୍ରିୟଗଣଙ୍କୁ ରକ୍ଷା କରନ୍ତୁ। ଆପଣ ମୋର ଇନ୍ଦ୍ରିୟ ଗୁଡିକୁ ଆପଣଙ୍କ ଠାରେ ଲୀନ କରୁଛି ।

🔘ହରେ:-

ହେ ଦୁଃଖହର୍ତ୍ତା, ମୋର ଦୁଃଖକୁ ବି ଆପଣ ହରଣ କରନ୍ତୁ ।

🔘ମୁରାରେ:-

ଅର୍ଥାତ୍ ହେ ମୁର ରାକ୍ଷସର ଶତ୍ରୁ ବା ବିଜେତା, ମୋ ଭିତରେ ବସିଥିବା କାମ-କ୍ରୋଧ ରୁପୀ ରାକ୍ଷସକୁ ନାଶ କରନ୍ତୁ ।

🔘ହେ ନାଥ:-

ଆପଣ ନାଥ ଆଉ ମୁଁ ଅନାଥ ଓ ଆପଣଙ୍କର ସେବକ । ମୋର ଅନାଥର ଭାବ ଆପଣଙ୍କ ପରି ନାଥ ସହ ସର୍ବଦା ଯୋଡି ହୋଇ ରହୁ ।

🔘ନାରାୟଣ:-

ମୁଁ ନର ଆଉ ଆପଣ ନାରାୟଣ ଅଟନ୍ତି । ଆପଣଙ୍କୁ ପାଇବା ପାଇଁ ଆପଣଙ୍କ ଆର୍ଦଶର ରାସ୍ତାରେ ମୁଁ ତପସ୍ୟାରତ।

🔘ବାସୁଦେବ:-

ବାସୁର ଅର୍ଥ ପ୍ରାଣ ମୋର ପ୍ରାଣକୁ ରକ୍ଷା କରନ୍ତୁ । ମୋର ମନ ମୁଁ ଆପଣଙ୍କ ଶ୍ରୀଚରଣରେ ଅର୍ପିତ କରିଦେଇଛି ।

✿❁❣️ ༒ ଜୟ ଶ୍ରୀ କୃଷ୍ଣ༒❣️❁✿

ପୃଥିବୀକୁ ଫେରାଇ ନେବାକୁ ଚାହୁଁଛନ୍ତି ଈଶ୍ବର ।

ପୃଥିବୀକୁ ଫେରାଇ ନେବାକୁ ଚାହୁଁଛନ୍ତି ଈଶ୍ବର ।


କଣ ଲାଭ ହେଲା ଏତେ ପରମାଣୁ ବୋମା ଓ ଏତେ ହାଇଡ୍ରୋଜେନ ବୋମା ତିଆରି କରି?
ଆମେରିକାର ବି-ଷ୍ଟେଲଥ୍ ବୋଇଂ ବିମାନ କୁଆଡେ ଆଲପିନର ଅଗରେ
ଅନେକ କିଲୋମିଟର ଉଚ୍ଚରୁ ବୋମା
ପକାଇ ପାରେ, ରୁଷିଆର S 400 ମିସାଇଲର ଡିଫେନସ୍ ସିସଟମ୍ କୁଆଡେ ପୃଥିବୀକୁ ବାରମ୍ବାର ବୁଲି ଆସି ପାରେ, Ak 107ରାଇଫେଲ୍
କୁଆଡେ ଆଖି ପଲକରେ ଗୋଟିଏ ଟ୍ୟାଂକକୁ ଛତୁ କରି ପାରେ ।
ମଣିଷ ମାରିବା ପାଇଁ କେତେ ଆୟୋଜନ –
ମନେ ପଡେ?
ସିରିଆର ସେହି ତିନି ବର୍ଷର ପୁଅ କହିଥିବା କଥା-ବୋମା ମାଡରେ କ୍ଷତବିକ୍ଷତ ଦେହ ନେଇ ମରିବା ପୂର୍ବରୁ କହିଥିଲା- ‘ମୁଁ ଈଶ୍ବରଂକୁ ସବୁ
କହିଦେବି ‘
ହୁଏତ କହିଦେଇଛି-
ଆମର ପୈଶାଚିକତାର କଥା, ଲୋଭର କଥା,ଅସଭ୍ୟତାର କଥା,
ନିର୍ଯ୍ଯାତନାର କଥା ।
ସାଗର ସେ ପାରିର ପଡିରହିଥିବା
ଆଲାନ୍ କୁର୍ଦି, କଣ୍ଟା ତାରରେ ଝୁଲିରହିଥିବା ସେହି ଝିଅଟିର ମୃତଦେହ ବୋଧହୁଏ ଈଶ୍ବରଂକୁ ସବୁ
କହିଦେଇଛି ।
ଈଶ୍ବର ଏଥର ତାଙ୍କ ପୃଥିବୀକୁ ଫେରାଇନେବାକୁ ଚାହୁଁଛନ୍ତି ।
ସିଏ ହୁଏତ ସବୁ ଅଭିଯୋଗ ଶୁଣିଛନ୍ତି
ହୁଏତ ଶୁଣିଛନ୍ତି ପ୍ରକୃତିର ଆର୍ତନାଦ-
ଶୁଣିଛନ୍ତି ସେହି ଚଢେଇର କ୍ରନ୍ଦନ ।
ଏହାକୁ ହିଁ ବୋଧେ କୁହାଯାଏ ଈଶ୍ବରଂକ ମାଡ, କିଂବା ପ୍ରକୃତିର
ପ୍ରତିଶୋଧ-ବୈଭବରେ ଜଡିତ ଦୁବାଇର 828 ମିଟର ମିନାରର ବୁର୍ଜ ଖଲିଫା ଏବେ ଶୂନ୍ ଶାନ୍ ପଡିଛି
ସୁନା ଆଉ ପେଟ୍ରୋ ଡଲାରରେ ଘୋଡାଇ ରହିଥିବା ଅହଂକାର ଏବେ
ମୃତ୍ୟୁ ଭୟରେ ଥରୁଛି ।
କ୍ଷୁଦ୍ରାତିକ୍ଷୁଦ୍ର ଗୋଟିଏ ଭାଇରସ୍ ର ଭୟରେ ପ୍ରବଳପରାକ୍ରମଶାଳିମାନେ ଅସହାୟ
ଭାବରେ ଖାଲି ଆଖିଫାଡି ଅନାଇ
ରହିଛନ୍ତି ମଳିନ କୋଟ ପିନ୍ଧା ବୈଜ୍ଞାନିକ ଅଥବା ଅନିଦ୍ରାରେ ରହିଥିବା ଅବସନ୍ନ କିନ୍ତୁ ପରାଜୟ ନ
ମାନୁଥିବା ଡାକ୍ତର ଓ ନର୍ସ ମାନଂକ ଆଡକୁ ।
ଚରମ ଘୃଣାରେ ଯେଉଁମାନଙ୍କ ଆଡକୁ
କେହି ଅନଉ ବି ନ ଥିଲେ, ଆଜି ସେହି ସଫେଇ କର୍ମଚାରୀର ହେଉଛି
ପୁଷ୍ପବୃଷ୍ଟି ଓ ଶଂଖଧ୍ବନିରେ ଆହ୍ବାନ ।
ଆମେ ହଜାର ହଜାର ମଣିଷ ମାରିଛୁ, ଜଣେ ଆଉଜଣକୂ ମରିବା ପାଇଁ ମାରଣାସ୍ତ୍ର ତିଆରି କରିଛୁ ।
ମଣିଷ ମଣିଷ ଭିତରେ ବିଭେଦ ସୃଷ୍ଟି କରିବାକୁ ତିଆରି କରିଛୁ ନାନାପ୍ରକାର
ଗୋପନ ଅସ୍ତ୍ର ।
ସୁଇଡେନ୍ ର ଇନଟରନ୍ୟାସନାଲ
ପିସ୍ ରିସର୍ଚ ଇନଷ୍ଟିଚ୍ୟୁଟ୍ ର ଗବେଷଣା ଜଣାଇଛି 2018ରେ କେବଲମାତ୍ର ଯୁଦ୍ଧର ଉଦ୍ୟମ ପାଇଁ
1.822 ଟ୍ରିଲିୟନ୍ ମାର୍କିନ୍ ଡଲାର ଖର୍ଚ୍ଚ ହୋଇଛି ।
ସିଏ ବୋଧେ ସବୁ କହିଦେଇଛି ।
କହିଛି ସେହି ଚଢେଇର କଥା, ଯିଏ ଆଉ ଆକାଶରେ ଉଡୁନି, କହିଛି ସେହି ଆକାଶର କଥା, ଯିଏ ଦିନେ ନୀଳବର୍ଣ ଥିଲା, କହିଛି ସେହି ପବନର କଥା, ଯିଏ ଦିନେ ନିର୍ମଳ ଥିଲା, କହିଛି ସେହି ପୃଥିବୀର କଥା,
ଯିଏ ଦିନେ ସମସ୍ତଂକର ଥିଲା ।
ସମସ୍ତଙ୍କର ପୃଥିବୀକୁ ଆମେ ମନଇଛ୍ଛା ଭାଗ ଭାଗ କରିଛୁ, ଧର୍ମ
ନାମରେ, ଦେଶ ନାମରେ, ଭାଷା ନାମରେ ମଣିଷକୁ ଦୂରକୁ ଠେଲି ଦେଇଛୁ, ଚମଡାର ରଂଗ ଦେଇ, ଗଣତନ୍ତ୍ର ନାମରେ ଆମକୁ ଟକୁରା
ଟୁକୁରା କରିଛୁ ।
ଏହି ଯୁଦ୍ଧ କଣ କେବଳ ଅଦୃଶ୍ୟ
ଭାଇରସ୍ ବିରୁଦ୍ଧରେ? ବୋଧହୁଏ ନୁହେଁ ।ଲକଡାଉନରେ ଖାଇବାକୁ ନ
ପାଇ ପାନ୍ଚ ସନ୍ତାନର ଜନନୀର ଗଂଗାରେ ଡେଇଁ ଆତ୍ମହତ୍ୟା ।ଏତେଦିନ ପରେ ହୁଏତ ସବୁ ଠିକ୍ ହେବ । କିନ୍ତୁ ଆମେ କଣ ସତରେ
ମଣିଷ ହୋଇ ପାରିବା?
Jayjagannathgroup.com

ଗୁରୁବାର ମାଜଣା ନୀତି,বৃহস্পতিবারের মাজনার নীতিবৃহস্পতিবারের মাজনার নীতি

বৃহস্পতিবারের মাজনার নীতি

নীতিটি প্রতি বৃহস্পতিবার সকালে ধূপ জ্বালানোর পরে অনুষ্ঠিত হয়।  প্রতি বৃহস্পতিবার মন্ডপ ধুয়ে মান্ডানির ছাউনি বন্ধ হয়ে যায়।  সকালের ধূপের শেষে মহাজন সেবক দক্ষিণা বাড়ি থেকে রত্নসিংহাসন থেকে লক্ষ্মী ও সরস্বতী এবং মদনমণ্ডপে বিজে বানাবেন।  সুদুশ্বারা উপস্থিত হয়ে জিনিসপত্র দেবেন।  সেই জিনিসটি এবং একটি জলপাই দই মিশ্রণে থাকবে।  মহাজনরা ঠাকুর ঠাকুরানী মাজনা তৈরি করে বিছানায় রেখে একটি গোছা বানিয়ে সাজিয়ে দেবেন।  আস্থান পাধারী ও সুদুশ্বর পূজা করবেন।  পূজাপণ্ড এসে পুজোয় বসে থাকবে।  পূজা বাড়ার সাথে সাথে অন্তঃপুরের মহাপাত্রগুলি কর্পূর আলটি এবং বালিতা আলটি পরিবেশন করবেন।  অরুয়া চাল এবং অক্ষত withাকা হবে।  ভীতারকুমহাপাত্রের অনুপস্থিতিতে পূজাপণ্ড এটি করতে পারেন।  দুপুরের ধূপ এলে মহাজনরা দু’জন দেবতাকে রত্নের সিংহাসনে এবং দক্ষিণে মদন মোহনকে বিজয়ী করবেন।  পালিয়ার ফুলওয়ালা ঠাকুরানিকে শ্রী বানিয়েছেন।

ଗୁରୁବାର ମାଜଣା ନୀତି

ପ୍ରତ୍ୟେକ ଗୁରୁବାର ଦିନ ସକାଳ ଧୂପ ସରିବାପରେ ଏହି ନୀତି ଅନୁଷ୍ଠିତ ହୋଇଥାଏ। ପ୍ରତ୍ୟେକ ଗୁରୁବାର ଦିନ ମାଜଣାମଣ୍ଡପ କୁ ଧୁଆହେବ ଓ ସେଠରେ ମଣ୍ଡଣି ଚାନ୍ଦୁଆ ବନ୍ଧା ହୁଏ। ସକାଳ ଧୂପ ସରିବାପରେ  ମହାଜନ ସେବକ  ରତ୍ନସିଂହାସନ ରୁ ଲକ୍ଷ୍ମୀ ଓ ସରସ୍ଵତୀ ଙ୍କୁ ଓ ଦକ୍ଷିଣ ଘରୁ ମଦନମୋହନଙ୍କୁ ଆଣି ମାଜଣା ମଣ୍ଡପରେ ବିଜେ କରାଇବେ। ସୁଦୁସୁଆର ଉପସ୍ଥିତ ରହି ମାଜଣା ସାମଗ୍ରୀ ଦେବେ। ଉକ୍ତ ଜିନିଷ ଓ ଏକ ଓଳି ଦହି ମାଜଣା ରେ ଲାଗିବ। ମହାଜନମାନେ ଠାକୁର ଠାକୁରାଣୀଙ୍କୁ ମାଜଣା କରାଇବେ ଓ  ଖଟ ଉପରେ ବସାଇ ବନକ ଲାଗି ଓ ଶୃଙ୍ଗାର କରିବେ। ଆସ୍ଥାନ ପଢିଆରୀ ଓ ସୁଦୁସୁଆର ପୂଜା ଠା କରିବେ। ପୂଜାପଣ୍ଡା ଜଣେ ଆସି ପୂଜାରେ ବସିବେ।  ପୂଜା ବଢ଼ିଲେ ଭିତରଛ ମହାପାତ୍ର କର୍ପୁର ଆଳତି ଓ ବଳିତା ଆଳତି କରିବେ। ଅରୁଆ ଚାଉଳ ଓ ଅକ୍ଷତ ଦ୍ଵାରା ବନ୍ଦାପନା କରିବେ। ଭିତରଛୁମହାପାତ୍ର ଙ୍କ ଅନୁପସ୍ଥିତିରେ ପୂଜାପଣ୍ଡା ଏହାକୁ କରିପାରିବେ। ଦ୍ଵିପହର ଧୂପ ଛେକ ଆସିଲେ ମହାଜନ ସେବକମାନେ ଦୁଇ ଠାକୁରାଣୀଙ୍କୁ ରତ୍ନସିଂହାସନ କୁ ଓ ମଦନମୋହନଙ୍କୁ ଦକ୍ଷିଣ ଘରକୁ ବିଜେ କରାଇବେ। ପାଳିଆ ପୁଷ୍ପାଳକ ସେବକମାନେ ଠାକୁରାଣୀଙ୍କୁ ଶ୍ରୀଅଙ୍ଗ ଲାଗି କରାନ୍ତି।

Every Thursday there is a special ritual done  in Sri Mandira. Rituals goes as below:
On thursday after the completion of Sakala dhoop; Maa Mahalaxmi, Maa Saraswati(from Ratna singhasana), and Lord Madanmohan (from dakhini ghara) are taken to the majana mandap by Mahajan sebaks for majena(bathing ritual) which is commonly known as gurubar majena.

On this day when the Deities are taken to the majana; mandap sudhasuara sebaka provide all things for majena after majena(snana with curd, sandalwood paste, amla paste); banakalagi(srimukha sringar), and Sringar with different flowers and garlands of Deities are performed and at last Karpura lagi is done.

After completion of sringar the sudhasuara sebak prepare the prasad for offering and pujapanda sevak do puja and offer naibedya(bhoga) to deities.After that karpura arati and bandapana is done by vittarchamohapatra sebak. After that deities return back to their respective places.

Jay Jagannath

শ্রী-জগন্নাথ এবং শ্রী-ক্ষেত্র পুরীতে সপ্তাবত

শ্রী জগন্নাথ হলেন শ্রী ক্ষেত্র পুরীতে মাঠের কেন্দ্র এবং প্রধান। এক্ষেত্রে আটটি শিব মন্দির বা * অষ্টশম্ভু, * দেবী মন্দির বা * অষ্টাদেবী, * পুরাণে বর্ণিত পুরাণ বা * পঞ্চতির্থ * এবং সাত বটবৃক্ষ বা * সপ্তাবত * বিশেষভাবে পূজা করা হয়। আমাদের হিন্দু রীতিতে বটগাছের উপাসনার বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। কথিত আছে যে অনেক agesষি রাশিয়ান বাট গাছের গোড়ায় তপস্যা করেছিলেন। অনেকগুলি পৌরাণিক গাছের গোড়ায় তৈরি করা হয়েছিল বলে জানা যায়। সপ্তাবত নামে পরিচিত সাতটি বটগাছ হ’ল:

(1) সোলখিয়া বাট,
(২) গোচাঁদ বাট,
(3) কৌরী বাট,
(৪) কাম্যা বাট,
(5) নিকুম্ফিলা বাট,
(4) আঘোর বাট,
(4) কল্প বাট।

(1) সোলখিয়া বাট:
মৃত দেহকে আগুনের মহা শাস্তি দিয়ে স্বর্গের দরজায় নিয়ে যাওয়া হয়। লাশটি এখানে সোলখিয়া বাটের কাছে বিশ্রামে ছিল; দেহরক্ষীরা বিশ্বাস করেন যে ওজন করা হলে শরীরের ওজন বেশি হয়। স্বর্গের দরজাগুলির সর্বত্র এখন প্রশস্ত রাস্তা রয়েছে তবে অতীতে এই গাছ থেকে “বালি রাস্তা” শুরু হয়েছিল। সবার বিশ্বাস: এখান থেকেই ভূত আসে। বিশ্বাস করা হয় যে এখান থেকেই নীলাচল অঞ্চলের প্রেতাত্মা শুরু হয়। আঘোরি পিতৃগণ, যিনি কবরস্থান-আশ্রি লাঙ্গুলি বিভূতি নামে অভিহিত ছিলেন, তারা এই বটবৃক্ষের নিচে রাতের কৃপণতা ও ধ্যান করিতেন। কর্ণমিগিরি যোগী এই বটবৃক্ষের নীচে বাস করতেন। যেহেতু সে বাটুরা বুট খাচ্ছিল; তাকে বলা হত সোলখিয়া বাবা। সেই থেকে বাট গাছটি সোলখিয়া বাট নামে পরিচিতি লাভ করে। এই সোলখিয়া বট পুরী শ্রী ক্ষেত্রের জন্ম ও মৃত্যুর রহস্যের সাক্ষী।

(২) গোচাঁদ বাট:
বাট গাছটি শ্রী ক্ষেত্রের গন্ধর্ব মঠে অবস্থিত (এটি মূলত মহান अचুথানন্দনের আশ্রম ছিল)। বিখ্যাত মালিকের লেখক, মহান অচুঠানন্দন এই বটবৃক্ষের গোড়ায় অনুশীলন করেছিলেন। এখানে তিনি “শূন্যপথী” traditionতিহ্য তৈরি করেছিলেন, যার লেখার কিছুই নেই। যদি কোনও অনুসন্ধানকারী মহান আছুথানন্দনকে নিয়তির ভবিষ্যত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন, তবে সেই প্রশ্নের উত্তর সেই নিখুঁত বইয়ে লেখা আছে। अचুথানন্দ জমিটি দখলে নিয়েছে এবং সময় আসার সাথে সাথে এই গোছন্দ বাট গাছে অনেক খালি বই পাওয়া যাবে। আপনি যদি ভাল কাজের জন্য এই বোতলটিতে আশ্রয় নেন তবে তা অবশ্যই পূরণ করতে হবে। গোচন্দবত মহান আচুতানন্দের দ্বারা শ্রী জগন্নাথ মহাপ্রভুর শ্রেষ্ঠত্বের সাথে জড়িত।

(3) কৌরী বাট:
অতীতে জগন্নাথ তীর্থযাত্রীরা পুরীতে হাঁটতেন। কৌরীবাট গাছ জগন্নাথ রোডের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, তখন এটি বাটমঙ্গলা মন্দিরের সামনে ওয়াটগাঁও ঘাটের রাস্তার মুখোমুখি ছিল। তীর্থযাত্রীরা এ সময় এই বটবৃক্ষের নিচে আশ্রয় নিচ্ছিলেন। লোককাহিনী অনুসারে: পুরীর সুপরিচিত তান্ত্রিক ধোবানী বটগাছের উপরে পড়েছিলেন, যখন আসামের কৌরী কামাক্ষের একজন ageষি পুরীতে যাওয়ার পথে পুরীতে আসছিলেন। ততক্ষণে কোনও মন্ত্রের সাহায্যে ধনতানি দ্রাক্ষালতা থেকে ঘাটে নামল। কামাক্ষ সাধিকা ভীষণ রেগে গেলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন কেন তিনি তার ব্যবস্থাটি কাটছেন? নিতি ধোবাণীও কম ছিল না। “তার একটি জীবন আছে, সে ঘোড়া বা গাছ হোক না কেন,” তিনি বলেছিলেন। আমরা কি তার উপরে বসে পুরীতে আসার সাহস না দেখিয়ে উড়তে পারি? ” অনুশীলনের অভাবে কামাক্ষা সাধিকা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং বলেছিলেন, “নিজেই উড়ে যাও।” কামাক্ষ সাধকের অনুরোধে নিতাই ধোবাণী খণ্ডিত বাঁধে বসে খালি হাতে ফিরে গেলেন। পদ অনুসারে: কামাক্ষা মাখনের গাছটি তখন থেকেই কুঠুরিতে থেকে যায় এবং কৌরী বাট হিসাবে পরিচিতি লাভ করে। তবে এখন হারিকেনের মতো কোনও জিনিস নেই যা 17 টি হারিকেন দ্বারা বিধ্বস্ত হয়েছিল। কৌরীবতের গোড়ায় কেবল মহাদেবের মন্দির রয়েছে, যার নাম কৌরীবত মহাদেব।

(৪) কাম্য বাট:
শ্রী অ্যাঙ্গিরা মহর্ষির আশ্রম সাহি জাহ্নিমুন্দিয়া, দোলমণ্ডপ, পুরীতে। কামিয়াবট শ্রী আঙ্গিরা মহর্ষি আশ্রমে অবস্থিত। লর্ডসের ফিস্ট অফ টর্নব্ল্যাকস এই ছত্রছায়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। শ্রী মন্দিরের ঘেরে কল্পবাট থেকে কাম্যবাট পর্যন্ত রাস্তার পবিত্রতা বহু শাস্ত্রে বর্ণিত হয়েছে। কাম্যবাটের উত্তর দিকে ছিল শ্রী জগন্নাথের দোলবেদী। মহাপ্রভু রত্নের সিংহাসন থেকে বেদিতে আসছিলেন, যেখানে পুতুলের উত্সব উদযাপিত হয়েছিল। তবে এখন আর জগন্নাথ আর নেই। শ্রী মন্দিরের উত্তর-পূর্ব কোণে নির্মিত দোলবেদীতে তাঁর প্রতিনিধি শ্রী দোলগোবিন্দ ‘ডলবিজ’।

(5) নিকুম্ফিলা বাট:
মন্দিরের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে অল্প দূরে হ’ল শ্রী মহাদেবের আস্তানা। এই পদ্মার নিকুভিলা বটবৃক্ষটি মহর্ষি কান্দুর সময় থেকে এসেছে to এই নিকুম্বিলা বাটারের পুরীর সাহিত্যের সময় পরিবেশন করা রামলীলার সাথে অনেকগুলি প্রাচীন সংযোগ রয়েছে। রামলীলায়, শ্রীলঙ্কার রাবণ নিকুম্ভিলা গাছের নীচে বলিদান করেছিলেন। সেই অনুসারে সাহিতাত্রার রাবণ, যিনি এখনও পুরি বালিশেহের বাসিন্দা, এই ব্যাটের তলে ত্যাগ করে শ্রী রামকে বধ করার শপথ করেন। একে বলা হয় “বলিদান” নীতি। বলিদানের পরে রাবণ মার্কণ্ডেশ্বরের ভগবতী কোটে সহি আখড়ায় যান। মা ভগবতীর কাছে অস্ত্রের পর্ব রয়েছে। শ্রীরামকে বধ করার জন্য রাবণ অস্ত্র চেয়েছিলেন। তিনি প্রার্থনা করেন, “মা! যুদ্ধ জয়ের জন্য আমাকে অস্ত্র দাও। যদি আমি হেরে যাই তবে আমার কাছে স্বর্গে যেতে শুনুন ” এর পরে, রাবণ তাঁর মায়ের কাছ থেকে প্রসাদ পান পান করেন। পরের দৃশ্যটি হ’ল শ্রী জগন্নাথ বল্লভ মঠে রাম-রাবণের যুদ্ধ।

(4) আগ্রাসী বাট:
অঘোরবতটি শ্রী মার্কান্ডেয় মহর্ষির আশ্রমে অবস্থিত এবং এর পাশেই রয়েছে শ্রী মার্কান্ডেয় তীর্থ। এই বটগাছটি শিব ও অঘোরি উপাসকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছুটা দূরে ছিল কটক কবরস্থান। মিঃ মার্কান্দেয় মহর্ষি আঘোরবটের অধীনে সম্পন্ন হয়েছিল। বিপর্যয় বন্যার সময়, Godশ্বর একটি বোতল জলে শিশুর মতো ভাসিয়েছিলেন এবং মিঃ মার্কান্দেকে উদ্ধার করেছিলেন। প্রভু তাঁর গর্ভে বিশ্বজগতের কাছে উপস্থিত হয়ে মহর্ষিকে ভগবান শ্রী পুরুষোত্তমার রূপ দেখিয়েছিলেন। প্রভুর নির্দেশে, শ্রী ক্ষেত্রের উত্তর-পশ্চিম কোণে অবস্থিত এই পবিত্র বটগাছটি শ্রী মারকান্ডেয় তপস্যা অনুসারে সম্পাদন করেছিলেন।

(4) কালপা বাট:
শ্রী ক্ষেত্রের শ্রী মন্দির অঞ্চলে প্রথম এবং প্রাচীনতম পবিত্র বটগাছটি হ’ল “কল্পবাত”। কল্পাবতের আশেপাশে অনেক দেবদেবতা রয়েছে। উত্তরে বাট মঙ্গলালা, পশ্চিমে পাঁচ মহাদেব, এবং দক্ষিণে বাট-গণেশ। কল্পবোটের দক্ষিণে বাথমাধবের মুখ উত্তরে। বিপর্যয়ের পর থেকেই কল্পবত শ্রী-মন্দিরের আশেপাশে রয়েছে। এটাও বলা হয়ে থাকে যে মনের মধ্যে কেউ এটি কল্পনা করার সাথে সাথে সেই ইচ্ছাটি পূর্ণ হয়। সত্যের যুগে, এই কল্পনাটি স্বর্গে ছিল। এখন কলিযুগে শ্রী পুরুষোত্তম মাঠে রয়েছেন।

সংগৃহীত

༒ জয় জগন্নাথ

জয়জগন্নাথগ্রুপ 3 ই এপ্রিল 2021 পোস্ট করেছেন পোস্ট মিস্ট্রি

পোস্ট পরিভ্রমন

পূর্ববর্তী পোস্টপূর্ব পোস্ট:
মা কাটাপুর মঙ্গলা & হুজুর জগন্নাথ

উত্তর দিন

জয়জগন্নাথগ্রুপ হিসাবে লগ ইন। প্রস্থান?

মন্তব্য

নতুন মন্তব্য গুলো আমাকে ইমেইল এর মাধ্যমে জানাও.

ফেসবুক

টুইটার

ইনস্টাগ্রাম

মিস্ত্রি, ওয়ার্ডপ্রেস.কম এ একটি ফ্রি ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করুন।

ଶ୍ରୀ-କ୍ଷେତ୍ର ପୁରୀରେ ଶ୍ରୀ-ଜଗନ୍ନାଥ ଓ ସପ୍ତବଟ

❀❣️🌳🌳 ସପ୍ତବଟ 🌳🌳 ❣️❀

ଶ୍ରୀ-କ୍ଷେତ୍ର ପୁରୀରେ ଶ୍ରୀ-ଜଗନ୍ନାଥ ହେଉଛନ୍ତି କ୍ଷେତ୍ରର କେନ୍ଦ୍ର ଓ ମୁଖ୍ୟ। ଏହି କ୍ଷେତ୍ରରେ ଆଠଗୋଟି ଶିବ ମନ୍ଦିର ବା *ଅଷ୍ଟଶମ୍ଭୁ,* ଦେବୀ ମନ୍ଦିର ବା *ଅଷ୍ଟଦେବୀ,* ପୁରାଣ ବର୍ଣିତ ପାଞ୍ଚଗୋଟି ତୀର୍ଥ ବା *ପଞ୍ଚତୀର୍ଥ* ଓ ସାତଗୋଟି ବଟବୃକ୍ଷ ବା *ସପ୍ତବଟ* ବିଶେଷ ଭାବେ ପୂଜା ପାଇଥାନ୍ତି। ବଟବୃକ୍ଷ ଆମ ହିନ୍ଦୁ ପରମ୍ପରାରେ ଉପାସନା ନିମନ୍ତେ ବିଶେଷ ମର୍ଯ୍ୟାଦା ଲାଭ କରିଥାଏ। ଅନେକ ମୁନି ଋଷି ବଟ ବୃକ୍ଷ ମୂଳେ ତପସ୍ୟା କରିଥିବାର ବର୍ଣନା ଅଛି। ଅନେକ ପୁରାଣ ବଟବୃକ୍ଷ ମୂଳରେ ରଚନା ହୋଇଥିବାର ଉଲ୍ଲେଖ ଅଛି। ଶ୍ରୀ-କ୍ଷେତ୍ରରେ ଯେଉଁ ସାତଗୋଟି ବଟବୃକ୍ଷ, ସପ୍ତବଟ ନାମରେ ପରିଚିତ ସେମାନେ ହେଲେ : 👇

(୧) ସୋଲାଖିଆ ବଟ,
(୨) ଗୋଚ୍ଛନ୍ଦ ବଟ,
(୩) କାଉଁରୀ ବଟ,
(୪) କାମ୍ଯ ବଟ,
(୫) ନିକୁମ୍ଭିଲା ବଟ,
(୬) ଅଘୋର ବଟ,
(୭) କଳ୍ପ ବଟ।

(୧) ସୋଲାଖିଆ ବଟ:
ମର ଶରୀରକୁ ବଡ ଦାଣ୍ଡ ଦେଇ ସ୍ୱର୍ଗଦ୍ୱାରକୁ ଅଗ୍ନିଦାହ ନିମନ୍ତେ ଉଆଁସ ଦାଣ୍ଡ ଦେଇ ନିଆ ଯାଇଥାଏ। ଶବକୁ ଏଠି ସୋଲାଖିଆ ବଟ ନିକଟରେ ବାଟ ବିଶ୍ରାମ ଦେଇ ; ପୁଣି କାନ୍ଧେଇଲେ ଶବ ଅଧିକ ଓଜନିଆ ଲାଗି ଥାଏ ବୋଲି ମଢ଼ାସାଙ୍ଗୀ ମାନେ ବିଶ୍ୱାସ କରନ୍ତି। ଏବେ ପୁରା ସ୍ବର୍ଗଦ୍ବାର ପର୍ଯ୍ୟନ୍ତ ପକ୍କା ସଡକ ହୋଇଯାଇଛି,କିନ୍ତୁ ଆଗେ ଏହି ବରଗଛ ଠାରୁ ‘ବାଲି ସଡକ’ ଆରମ୍ଭ ହେଉଥିଲା। ସମସ୍ତଙ୍କର ବିଶ୍ୱାସ : ଏହିଠାରୁ ପ୍ରେତ ସବାର ହୁଏ। ବିଶ୍ୱାସ ଅନୁସାରେ, ଏହିଠାରୁ ନୀଳାଚଳ କ୍ଷେତ୍ରର ପ୍ରେତଭୂମି ଆରମ୍ଭ। ଶ୍ମଶାନ-ଆଶ୍ରୀ ଲଙ୍ଗୁଳୀ ବିଭୁତି ବୋଳା ଅଘୋରୀ ବାବା ମାନେ ଏଇ ବଟବୃକ୍ଷ ତଳେ ରାତ୍ରି ତପସ୍ୟା ଓ ସାଧନା କରୁଥିଲେ। କର୍ଣ୍ଣାମିଗିରି ଯୋଗୀ ଏହି ବଟବୃକ୍ଷ ତଳେ ରହୁଥିଲେ। ଯେହେତୁ ସେ ବତୁରା ବୁଟ ଖାଉଥିଲେ ; ତାଙ୍କୁ ସୋଲାଖିଆ ବାବା ନାମରେ ସମ୍ବୋଧନ କରାଯାଉଥିଲା। ସେକାଳରୁ ଏହି ବଟ ବୃକ୍ଷଟି ସୋଲାଖିଆ ବଟ ନାମରେ ପ୍ରସିଦ୍ଧ ଲାଭ କରିଛି। ଏହି ସୋଲାଖିଆ ବଟ ପୁରୀ ଶ୍ରୀ-କ୍ଷେତ୍ରପାଇଁ ଜନ୍ମ-ମରଣ ରହସ୍ୟର ସାକ୍ଷୀ।


(୨) ଗୋଚ୍ଛନ୍ଦ ବଟ:
ଏହି ବଟ ବୃକ୍ଷଟି ଶ୍ରୀ-କ୍ଷେତ୍ରର ଗନ୍ଧର୍ବ ମଠ(ଯାହା ପ୍ରଥମେ ମହାପୁରୁଷ ଅଚ୍ୟୁତାନନ୍ଦଙ୍କର ଆଶ୍ରମ ଥିଲା) ଠାରେ ରହିଛି। ବିଖ୍ୟାତ ମାଳିକା ରଚୟିତା ମହାପୁରୁଷ ଅଚ୍ୟୁତାନନ୍ଦ ଏହି ବଟବୃକ୍ଷ ମୂଳରେ ତାଙ୍କର ସାଧନା କରୁଥିଲେ। ଏହିଠାରେ ସେ “ଶୁନ୍ୟପୋଥି” ପରମ୍ପରା ସୃଷ୍ଟି କରିଥିଲେ,ଯେଉଁଥିରେ କିଛି ଲେଖା ନାହିଁ। କୌଣସି ଜିଜ୍ଞାସୁ ମହାପୁରୁଷ ଅଚ୍ୟୁତାନନ୍ଦଙ୍କୁ ଭାଗ୍ୟ ଭବିଷ୍ୟ ସମ୍ୱନ୍ଧରେ ପ୍ରଶ୍ନ କଲେ,ସେ ପ୍ରଶ୍ନର ସମାଧାନ ସେହି ସିଦ୍ଧ-ପୋଥିରେ ଲେଖି ହୋଇଯାଏ। ଅଚ୍ୟୁତାନନ୍ଦ ମାଳିକାରେ ଅଛି,ସମୟ ଆସିଲେ ଅନେକ ଶୂନ୍ୟପୋଥି ଏହି ଗୋଚ୍ଛନ୍ଦ ବଟ ବୃକ୍ଷରୁ ମିଳିବ। ସତ୍‌କାର୍ଯ୍ୟ ନିମନ୍ତେ ଏହି ବଟତଳେ ଶରଣାପନ୍ନ ହେଲେ,ତାହା ନିଶ୍ଚୟ ପୂରଣ ହୁଏ। ଗୋଚ୍ଛନ୍ଦବଟକୁ ଶ୍ରୀ-ଜଗନ୍ନାଥ ମହାପ୍ରଭୁଙ୍କ ମହିମା ସହିତ ମହାପୁରୁଷ ଅଚ୍ୟୁତାନନ୍ଦ ଯୋଡ଼ିଛନ୍ତି।

(୩) କାଉଁରୀ ବଟ:
ପୂର୍ବକାଳରେ ଜଗନ୍ନାଥ ତୀର୍ଥଯାତ୍ରୀମାନେ ଚାଲି ଚାଲି ପୁରୀକୁ ଆସୁଥିଲେ। କାଉଁରୀବଟ ବୃକ୍ଷଟି ଜଗନ୍ନାଥ ସଡ଼କ ଦେଇ ଆସିବା ସମୟରେ ବାଟମଙ୍ଗଳା ମନ୍ଦିର ପୂର୍ବରୁ ଵାଟଗାଁ ଘାଟରେ ରାସ୍ତା କଡ଼କୁ ଲାଗିଥିଲା। ତୀର୍ଥ ଯାତ୍ରୀ ସେ ସମୟରେ ଏହି ବଟବୃକ୍ଷ ତଳେ ଆଶ୍ରୟ ନେଉଥିଲେ। ଲୋକକଥା ଅନୁସାରେ : ଆସାମର କାଉଁରୀ କାମାକ୍ଷାରୁ ଜଣେ ସାଧିକା ସେହି ବଟବୃକ୍ଷ ଉପରେ ବସି ପୁରୀ ଆସୁଥିବା ସମୟରେ ପୁରୀର ବିଖ୍ୟାତ ତାନ୍ତ୍ରୀକା ନିତେଇ ଧୋବଣୀଙ୍କର ଦୃଷ୍ଟି ସେହି ବଟବୃକ୍ଷ ଉପରେ ପଡ଼ିଲା। ତତ୍_କ୍ଷଣାତ୍ ମନ୍ତ୍ର ବଳରେ ତାନ୍ତ୍ରୀକା ନିତେଇ ଧୋବଣୀ ସେହି ବଟବୃକ୍ଷକୁ ଶୂନ୍ୟରୁ ସେହି ଘାଟରେ ଓହ୍ଲାଇ ଦେଲେ। କାମାକ୍ଷା ସାଧିକା ଖୁବ ରାଗିଗଲେ ଓ ତାଙ୍କ ତନ୍ତ୍ର କାଟିବାର କାରଣ ପଚାରିଲେ। ନିତେଇ ଧୋବଣୀ କିଛି କମ୍ ନ ଥିଲେ। ସେ କହିଲେ,”ଘୋଡା ହେଉ କି ଗଛ ହେଉ,ତାର ଜୀବନ ଅଛି। ତା ଉପରେ ବସି ପୁରୀ ଆସିବା ବାହାଦୁରୀ ନ ଦେଖାଇ କୌଣସି ଜଡ଼ ଉପରେ ବସି ଉଡି ପାରିବୁ କି ?” ସାଧନା ନ ଥିବାରୁ କାମାକ୍ଷା ସାଧିକା ମନା କଲେ ଓ କହିଲେ, “ନିଜେ ଉଡି ଦେଖା ବୋଲି।” ନିତେଇ ଧୋବଣୀ ସେ କାମାକ୍ଷା ସାଧିକା ଅନୁରୋଧରେ ଗୋଟେ ଖଣ୍ଡିଆ ବନ୍ଧରେ ବସି ଶୂନ୍ୟରେ ବୁଲି ଆସିଲେ । ସର୍ତ୍ତ ଅନୁସାରେ : ସେହି କାମାକ୍ଷା ବଟବୃକ୍ଷଟି ସେହିଦିନଠାରୁ ସେହି ଘାଟରେ ରହି ଗଲା ଓ କାଉଁରୀ ବଟ ନାମରେ ପ୍ରସିଦ୍ଧି ଲାଭକଲା। ଏବେ କିନ୍ତୁ ସେହି କାଉଁରୀବଟ ନାହିଁ, ଯାହା ୧୯୯୯ ମହାବାତ୍ୟାରେ ଧ୍ୱଂସ ପାଇଯାଇଛି। କେବଳ କାଉଁରୀବଟ ମୂଳରେ ଥିବା ମହାଦେବଙ୍କ ମନ୍ଦିରଟି ରହିଛି,ଯାହାର ନାମ କାଉଁରୀବଟ ମହାଦେବ।

(୪) କାମ୍ୟ ବଟ:
ପୁରୀ ଦୋଳମଣ୍ଡପ ସାହି ଜହ୍ନିମୁଣ୍ଡିଆ ଠାରେ ଶ୍ରୀ ଅଙ୍ଗିରା ମହର୍ଷିଙ୍କ ଆଶ୍ରମ। କାମ୍ୟବଟ ଏହି ଶ୍ରୀ ଅଙ୍ଗିରା ମହର୍ଷିଙ୍କ ଆଶ୍ରମରେ ଅବସ୍ଥିତ। ମହାପ୍ରଭୁଙ୍କ ଦୋଳ ଉତ୍ସବ ଏହି କାମ୍ୟବଟ ତଳେ ହେଉଥିଲା। ଶ୍ରୀ-ମନ୍ଦିର ବେଢ଼ାରେ ଥିବା କଳ୍ପବଟରୁ କାମ୍ୟବଟ ପର୍ଯ୍ୟନ୍ତ ରାସ୍ତାର ପବିତ୍ରତା ବହୁ ଶାସ୍ତ୍ରରେ ବର୍ଣନା କରା ଯାଇଛି। ଏହି କାମ୍ୟବଟର ଉତ୍ତର ପଟକୁ ଶ୍ରୀ-ଜଗନ୍ନାଥଙ୍କ ଦୋଳବେଦି ରହିଥିଲା। ମହାପ୍ରଭୁ ରତ୍ନ ସିଂହାସନରୁ ଦୋଳବେଦିକୁ ଆସୁଥିଲେ ଓ ସେଠାରେ ଦୋଳ ପର୍ବ ପାଳିତ ହେଉଥିଲା। ଏବେ କିନ୍ତୁ ଆଉ ଶ୍ରୀ-ଜଗନ୍ନାଥ ଆସୁ ନାହାନ୍ତି। ଶ୍ରୀ-ମନ୍ଦିରର ଉତ୍ତର-ପୂର୍ବ କୋଣରେ ନିର୍ମିତ ହୋଇଥିବା ଦୋଳବେଦିରେ ତାଙ୍କର ପ୍ରତିନିଧି ଶ୍ରୀ-ଦୋଳଗୋବିନ୍ଦ ‘ଦୋଳବିଜେ’ କରନ୍ତି।

(୫) ନିକୁମ୍ଭିଲା ବଟ :
ଶ୍ରୀ-ମନ୍ଦିରର ଦକ୍ଷିଣ ପଶ୍ଚିମ କୋଣ ଦିଗରେ ଅଳ୍ପ ଦୂରରେ ଶ୍ରୀ-ଯମେଶ୍ୱର ମହାଦେବଙ୍କ ପୀଠ। ଏହି ପୀଠରେ ନିକୁମ୍ଭିଲା ବଟବୃକ୍ଷଟି ମହର୍ଷି କଣ୍ଡୁଙ୍କ ସମୟରୁ ରହି ଆସିଛି। ପୁରୀରେ ସାହିଯାତ୍ରା ସମୟରେ ଯେଉଁ ରାମଲୀଳା ପରିବେଷଣ ହୁଏ,ସେଥିସହିତ ଏହି ନିକୁମ୍ଭିଲା ବଟର ବହୁ ପ୍ରାଚୀନ ସମ୍ପର୍କ ରହିଛି। ରାମଲୀଳାରେ ଶ୍ରୀଲଙ୍କାର ରାବଣ ଯଜ୍ଞ ଅଧ୍ଯାୟରେ ଏହି ନିକୁମ୍ଭିଲା ବୃକ୍ଷତଳେ ଯଜ୍ଞ କରିଥିଲେ। ସେହି ଅନୁସାରେ,ଏବେ ମଧ୍ୟ ସାହିଯାତ୍ରାର ରାବଣ,ଯେ କି ପୁରୀ ବାଲିସାହିର ବାସିନ୍ଦା,ଏହି ବଟତଳେ ଯଜ୍ଞ କରି ଶ୍ରୀ-ରାମଙ୍କୁ ବଧ କରିବାର ଶପଥ ନିଅନ୍ତି। ଏହାକୁ “ଯଜ୍ଞରକ୍ଷା” ନୀତି କୁହାଯାଏ। ଯଜ୍ଞ ପରେ ରାବଣ ମାର୍କଣ୍ଡେଶ୍ୱରର ସାହି ଆଖଡା “ଭଗବତୀ କୋଟ” କୁ ଯାଆନ୍ତି। ସେଠାରେ ମାଆ ଭଗବତୀଙ୍କ ନିକଟରେ ଅସ୍ତ୍ର ଗୁହାରି ପର୍ବ ହୁଏ। ରାବଣ, ଶ୍ରୀ-ରାମଙ୍କୁ ବଧ କରିବା ପାଇଁ ଅସ୍ତ୍ର ମାଗନ୍ତି। ସେ ପ୍ରାର୍ଥନା କରନ୍ତି, “ମା ! ଯୁଦ୍ଧ ଜିତିବା ପାଇଁ ମୋତେ ଅସ୍ତ୍ର ଦିଅ। ଯଦି ମୁଁ ହାରିଯାଏ ତେବେ ସ୍ୱର୍ଗକୁ ଯିବା ଲାଗି ନିଶୁଣି ଦିଅ।” ଏହା ପରେ ରାବଣ ମା’ଙ୍କ ଠାରୁ ପ୍ରସାଦ ପଣା ପିଅନ୍ତି। ପରବର୍ତ୍ତୀ ଦୃଶ୍ୟ “ରାମ-ରାବଣ ଯୁଦ୍ଧ” ଶ୍ରୀ-ଜଗନ୍ନାଥବଲ୍ଲଭ ମଠରେ ଅନୁଷ୍ଠିତ ହୁଏ।

(୬) ଅଘୋର ବଟ:
ଶ୍ରୀ-ମାର୍କଣ୍ଡେୟ ମହର୍ଷିଙ୍କ ଆଶ୍ରମରେ ରହିଛି ଅଘୋରବଟ ଏବଂ ତା ନିକଟରେ ରହିଛି ଶ୍ରୀ-ମାର୍କଣ୍ଡେୟ ତୀର୍ଥ। ଏହି ବଟବୃକ୍ଷ ଶିବ ତଥା ଅଘୋରୀ ଉପାସକଙ୍କ ପାଇଁ ବହୁତ ତାତ୍ପର୍ଯ୍ୟପୂର୍ଣ୍ଣ। ଏଠାରୁ ଅଳ୍ପ ଦୂରରେ ରହିଥିଲା କଟକୀପେଣ୍ଠ ଶ୍ମଶାନ। ଅଘୋରବଟ ତଳେ ଶ୍ରୀ-ମାର୍କଣ୍ଡେୟ ମହର୍ଷି ସିଦ୍ଧିଲାଭ କରିଥିଲେ। ପ୍ରଳୟକାଳରେ ଯେତେବେଳେ ଚାରି ଦିଗରେ ଜଳ ଭରିଗଲା,ସେତେବେଳେ ଗୋଟିଏ ବଟପତ୍ରରେ ଶିଶୁ ରୂପରେ ଭଗବାନ ଭାସି ଯାଇ ଶ୍ରୀ-ମାର୍କଣ୍ଡେୟଙ୍କୁ ଉଦ୍ଧାର କରିଥିଲେ। ଭଗବାନ ନିଜ ପେଟ ମଧ୍ୟରେ ବ୍ରହ୍ମାଣ୍ଡ ଦର୍ଶନ କରାଇ ଥିଲେ ଓ ମହର୍ଷିଙ୍କୁ ପ୍ରଭୁ ଶ୍ରୀ-ପୁରୁଷୋତ୍ତମ ରୂପ ଦେଖାଇ ଥିଲେ। ମହାପ୍ରଭୁଙ୍କ ନିର୍ଦ୍ଦେଶରେ ଶ୍ରୀ-କ୍ଷେତ୍ରର ଉତ୍ତର ପଶ୍ଚିମ କୋଣରେ ଅବସ୍ଥିତ ଏହି ପବିତ୍ର ବଟବୃକ୍ଷ, ଅଘୋରବଟ ତଳେ ଶ୍ରୀ-ମାର୍କଣ୍ଡେୟ ତପସ୍ୟା କଲେ।

(୭) କଳ୍ପ ବଟ:
ଶ୍ରୀ-କ୍ଷେତ୍ରର ଶ୍ରୀ-ମନ୍ଦିର ପରିସରରେ ପ୍ରଥମ ତଥା ସର୍ବପୁରାତନ ପବିତ୍ର ବଟବୃକ୍ଷ ହେଉଛି ଏହି “କଳ୍ପବଟ”। କଳ୍ପବଟ ଚତୁର୍ଦିଗରେ ବହୁ ଦେବଦେବୀ ଅଛନ୍ତି। ଏହାର ଉତ୍ତର ଦିଗକୁ ବଟ ମଙ୍ଗଳା,ପଶ୍ଚିମ ଦିଗକୁ ପଞ୍ଚ ମହାଦେବ,ଦକ୍ଷିଣ ଦିଗକୁ ବଟ-ଗଣେଶ। କଳ୍ପବଟର ଦକ୍ଷିଣକୁ ବଟମାଧବଙ୍କ ମୁହଁ ଉତ୍ତରଦିଗକୁ। ପ୍ରଳୟ କାଳରୁ କଳ୍ପବଟ ଶ୍ରୀ-ମନ୍ଦିର ପରିସରରେ ରହିଛନ୍ତି। ଏହାଙ୍କୁ ମନରେ କଳ୍ପନା କରିବା ମାତ୍ରେ ମନୋବାଞ୍ଛା ପୂର୍ଣ୍ଣ ହୁଏ ବୋଲି ଏହାର ନାମ ବାଞ୍ଛାବଟ ବା କଳ୍ପବଟ ବା କଳ୍ପତରୁ ମଧ୍ୟ କୁହା ଯାଏ। ସତ୍ୟଯୁଗରେ ଏହି କଳ୍ପବଟ ସ୍ବର୍ଗରେ ଥିଲେ। ଏବେ କଳିଯୁଗରେ ଶ୍ରୀ-ପୁରୁଷୋତ୍ତମ କ୍ଷେତ୍ରରେ ରହିଛନ୍ତି।

ସଂଗୃହିତ

✿❁❣️༒ ଜୟ ଜଗନ୍ନାଥ ༒❣️❁✿

Maa katapura mangala & lord jagannath

ଏକଦା ବର୍ଷେ ଗୋବିନ୍ଦ ଦ୍ଵାଦଶୀ ବୁଡ ପୁରୀରେ ଅନୁଷ୍ଠିତ ହେବାର ଥିଲା, ସେହି ବର୍ଷ ରାଜା ଯଯାତି କେଶରୀ(ରାଜଧାନୀ ଥିଲା ଯାଯପୁର) ଗୋବିନ୍ଦ ଦ୍ଵାଦଶୀ ବୁଡ ଅବସରରେ ମହୋଦଧିରେ ବୁଡ ପକାଇବା ପାଇଁ ଶ୍ରୀକ୍ଷେତ୍ର ଆସିଥିଲେ। ତେବେ ବୁଡ ପରେ ତୀର୍ଥ ନିକଟସ୍ଥ ଦେବତାଙ୍କୁ ଦର୍ଶନ କରିବାର ବିଧି ଥିବା ହେତୁ ଶ୍ରୀମନ୍ଦିରକୁ ଯାଇ ଦେଖନ୍ତେ ରତ୍ନ ସିଂହାସନ ଖାଲି ପଡିଥିଲା। ସେହି ସମୟରେ ମହାପ୍ରଭୁଙ୍କ ଶ୍ରୀ ବିଗ୍ରହ ସୋନପୁରର କୋଟସମଲାଏ ଠାରେ ୧୪୪ ବର୍ଷ ଧରି ପାତାଳୀ ହୋଇଥିଲେ। ସେହି ସମୟରେ ଯଯାତି କେଶରୀ ତତ୍କାଳୀନ ଶଙ୍କରାଚାର୍ଯ୍ୟଙ୍କ ପରାମର୍ଶ ନେଇ ମହାପ୍ରଭୁଙ୍କ ଶ୍ରୀବିଗ୍ରହମାନଙ୍କୁ ଉଦ୍ଧାର କରିବା ନେଇ ଚେଷ୍ଟାରତ ହେଲେ । ତେବେ ପାତାଳୀରୁ ଉଦ୍ଧାର କରିବା ପରେ ଶ୍ରୀବିଗ୍ରହମାନେ ଜରାଜୀର୍ଣ୍ଣ ଅବସ୍ଥାରେ ଥିଲେ। ତେଣୁ ନବକଳେବର ପ୍ରକ୍ରିୟାର ଭିତ୍ତିଭୂମି ଏହିଠାରୁ ହିଁ ଆରମ୍ଭ ହୋଇଥିଲା। ବର୍ତ୍ତମାନ ନବକଳେବର ନିମନ୍ତେ ନିମ୍ବ କାଠର ଆବଶ୍ୟକତା ପଡିଲା। ସେହି ସମୟରେ ପ୍ରାଚୀ ଉପତ୍ୟକା ଅତ୍ୟନ୍ତ ସମୃଦ୍ଧ ଥିଲା ଏବଂ ଏହାର ପଠାରେ ବହୁଳ ପରିମାଣରେ ନିମ୍ବ ବୃକ୍ଷ ଥିଲା। ପ୍ରାଚୀ ତୀର୍ଥର ଅଧୀଶ୍ବରୀ ମା ମଙ୍ଗଳା ସେଠାରେ ପୂଜା ପାଉଥିଲେ। ତେବେ ଶଙ୍କରାଚାର୍ଯ୍ୟ ନବକଳେବର କରିବା ଉଦ୍ଦେଶ୍ୟରେ ମା ମଙ୍ଗଳାଙ୍କ ନିକଟକୁ ଯାଇ ପୂଜାର୍ଚ୍ଚନା କରି ଉକ୍ତ ସ୍ଥାନରୁ ନିମ୍ବ କାଠ କାଟି ଆଣି ଦାରୁ ନିର୍ମାଣ କରିବା ପାଇଁ ସ୍ଥିର କଲେ। ପରବର୍ତ୍ତୀ ସମୟରେ ଜଣା ପଡିଲା ଯେ ମା ମଙ୍ଗଳା ପ୍ରାଚୀ ନଦୀରେ ଆସିଥିବା ବନ୍ୟା ପାଣି ରେ ଭାସିଯାଇଛନ୍ତି ଓ ତାଙ୍କର ପୂର୍ବତନ ପୂଜାସ୍ଥଳ ଦେଉଳି ମଠରେ ଆଉ ନାହାଁନ୍ତି। ତେଣୁ ମା ମଙ୍ଗଳାଙ୍କୁ ଉଦ୍ଧାର କରିବା ପାଇଁ ତତ୍କାଳୀନ ଗଜପତିଙ୍କ ନିର୍ଦ୍ଦେଶାନୁଶାରେ ହଟ ଓ ବଟ ଦୀକ୍ଷିତ ବୋଲି ଦୁଇ ତାନ୍ତ୍ରିକଙ୍କୁ କାକଟପୁରର ପ୍ରାଚୀ ଉପତ୍ୟକାରୁ ମଙ୍ଗଳାଙ୍କ ଅନ୍ୱେଷଣ ନିମନ୍ତେ ପ୍ରେରିତ କରାଗଲା। ସେମାନେ ସେଠାକୁ ଯାଇ ଉକ୍ତ ଗ୍ରାମର ଗ୍ରାମଦେବତୀ କାକଟେଇ ଙ୍କ ନିକଟରେ ମା ମଙ୍ଗଳାଙ୍କ ଉଦ୍ଧାର ନିମନ୍ତେ କୃପା ଭିକ୍ଷା କଲେ। କାକଟେଇ ତାଙ୍କ ଉପରେ ପ୍ରସନ୍ନ ହୋଇ ନିଜେ ଗ୍ରାମର ଗ୍ରାମଦେବତୀ ହେବେ ବୋଲି ତାଙ୍କ ଠାରୁ ବଚନ ନେଇ ମଙ୍ଗଳା ପ୍ରାଚୀ ନଦୀରେ ବୁଡିକି ଅଛନ୍ତି ବୋଲି ତାଙ୍କୁ ସ୍ୱପ୍ନାଦେଶ କଲେ। ଯେହେତୁ ମଙ୍ଗଳା ପ୍ରାଚୀ ନଦୀରେ ବୁଡିକି ଥିଲେ ତେଣୁ ଚୈତ୍ର ମାସର ପ୍ରଥମ ପାଳି ମଙ୍ଗଳବାରରେ ହଟ ଓ ବଟ ଦୀକ୍ଷିତ ପ୍ରାଚୀରୁ ପାଣି ତୋଳି ମା ଙ୍କର ଆବାହନ କରିଥିଲେ। କିନ୍ତୁ ସେଠାରେ ମା’ ଙ୍କର କୌଣସି ସନ୍ଧାନ ମିଳିଲା ନାହିଁ। ଏହିପରି ଭାବେ ଚାରିପାଳି ଅନ୍ତ ହେଲେ ମଧ୍ଯ ମା ମଙ୍ଗଳାଙ୍କ ଆବିର୍ଭାବର କୌଣସି ସଙ୍କେତ ମିଳିଲା ନାହିଁ। ଏଣେ ଦାରୁ ଅନ୍ୱେଷଣ ପାଇଁ ବନଯାଗଯାତ୍ରୀ ମାନେ ଶ୍ରୀକ୍ଷେତ୍ର ରୁ ଆସିଗଲେଣି। ତେବେ ଚୈତ୍ର ଶେଷ ପାଳି ମଙ୍ଗଳବାର ଦିନ ହଟ ଓ ବଟ ଦୀକ୍ଷିତ ରାଜଦଣ୍ଡ ଭୟରେ କାକଟେଇ ଙ୍କ ସମ୍ମୁଖରେ ଅଗ୍ନିଗାଢ କରି ନିଜକୁ ଝାସ ଦେବାକୁ ପ୍ରସ୍ତୁତ ହୁଅନ୍ତେ କଲ୍ୟାଣମୟୀ ଭକ୍ତବତ୍ସଳା ଭଗବତୀ ମଙ୍ଗଳା ପ୍ରାଚୀ ନଦୀରୁ ଆବିର୍ଭାବ ହୋଇ ନିଜ ଭକ୍ତଙ୍କୁ ତାଙ୍କର ଠିକଣା ଦେଲେ ଏବଂ ମା’ ଙ୍କର ମୂର୍ତ୍ତିର ପୁନରୁଦ୍ଧାର କରାଗଲା। ଏହା ହିଁ ମା ଙ୍କ ଚଇତି ଯାତ ବା ଝାମୁଯାତ ର କିମ୍ବଦନ୍ତୀ। ନିକଟସ୍ଥ ମଙ୍ଗଳପୁର ଗ୍ରାମରେ ଏକ କାଷ୍ଠ ମଣ୍ଡପରେ ତାଙ୍କୁ ସ୍ଥାପନା କରାଗଲା। ମଙ୍ଗଳପୁର ଗ୍ରାମଦେବତୀ ହେଉଛନ୍ତି ମା ଦକ୍ଷିଣଚଣ୍ଡୀ । ତେବେ ଓଡିଆ ଜାତିର ଅସ୍ମିତା ହେଲେ ମହାପ୍ରଭୁ ଓ ଓଡିଆ ଜାତିର ପରିଚୟ ହେଲେ ମହାପ୍ରଭୁ। ତାଙ୍କ ସେବାରେ ନିୟୋଜିତା ସମସ୍ତ ଅଷ୍ଟକୀଳା ମାନଙ୍କ ମଧ୍ଯରୁ ମା’ ମଙ୍ଗଳା ହେଉଛନ୍ତି ଅନ୍ୟତମା। ମା’ ମଧ୍ଯ କାକଟପୁରରେ ରହି ମହାପ୍ରଭୁଙ୍କ ସେବାରେ ନିଜକୁ ନିୟୋଜିତ କରିଛନ୍ତି। ସେ ପରଂବ୍ରହ୍ମଙ୍କ ସହଚରୀ ଓ ସହଯୋଗୀ ହୋଇଥିବା ହେତୁ ମଙ୍ଗଳା ହେଉଛନ୍ତି ପରାଶକ୍ତି। ତେବେ ଏ ଜାତି ମହାପ୍ରଭୁଙ୍କୁ ଛାଡି କେବେ ତିଷ୍ଠି ପାରିନି। ଏ ଜାତିର ସମସ୍ତ ପର୍ବପର୍ବାଣୀ ଓ ଶୁଭକର୍ମରେ ମହାପ୍ରଭୁଙ୍କ ସଂଶ୍ଲିଷ୍ଟ ହେବା ବିଧେୟ। ତେବେ ମା’ ମଙ୍ଗଳା ବା ଏଥିରୁ ବାଦ୍ ପଡିଥାନ୍ତେ କେମିତି ! ତେଣୁ ଆଜି ମା’ ମଙ୍ଗଳାଙ୍କ ଝାମୁଯାତ୍ରା ମହାପ୍ରଭୁଙ୍କ ସେହି ଗୌରବମୟ ଗାଥାକୁ ବହନ କରେ।

କେତେକ ରୋଚକ ତଥ୍ୟ

🏹 ରାମଚରିତ ମାନସର କେତେକ ରୋଚକ ତଥ୍ୟ🏹

୧: ଲଙ୍କାରେ ଶ୍ରୀରାମଚନ୍ଦ୍ର= ୧୧୧ ଦିନ ଥିଲେ।
୨: ଲଙ୍କାରେ ଦେବୀ ସୀତା= ୪୩୫ ଦିନ ଥିଲେ।
୩: ମାନସ ରେ ଶ୍ଳୋକ ସଂଖ୍ୟା= ୨୭ ଅଟେ।
୪: ମାନସ ରେ ଚୋପାଈ ସଂଖ୍ୟା= ୪୬୦୮ ଅଟେ।
୫: ମାନସ ରେ ଦୋହା ସଂଖ୍ୟା= ୧୦୭୪ ଅଟେ।
୬: ମାନସ ରେ ସୋରଠା ସଂଖ୍ୟା= ୨୦୭ ଅଟେ।
୭: ମାନସ ରେ ଛନ୍ଦ ସଂଖ୍ୟା= ୮୬ ଅଟେ।
୮: ସୁଗ୍ରୀବଙ୍କ ବଳ ଥିଲା= ୧୦,୦୦୦ ହାତୀ ର।
୯: ସୀତା ମହାରାଣୀ ହୋଇଥିଲେ= ୩୩ ବର୍ଷ ବୟସରେ।
୧୦: ମାନସ ରଚନା ସମୟରେ ତୁଳସୀଦାସଙ୍କ ବୟସ= ୭୭ ବର୍ଷ ଥିଲା।
୧୧: ପୁଷ୍ପକ ବିମାନର ଗତି= ୪୦୦ ମାଇଲ୍/ଘଣ୍ଟା ଥିଲା।
୧୨: ରାମଦଳ ତଥା ରାବଣ ଦଳର ଯୁଦ୍ଧ= ୮୭ ଦିନ ଚାଲିଥିଲା।
୧୩: ରାମ ରାବଣ ଯୁଦ୍ଧ= ୩୨ ଦିନ ଚାଲିଥିଲା।
୧୪: ସେତୁ ନିର୍ମାଣ= ୫ ଦିନରେ ହୋଇଥିଲା।
୧୫: ନଳ ଓ ନୀଳ ଙ୍କ ପିତା= ବିଶ୍ଵକର୍ମା ଅଟନ୍ତି।
୧୬: ତ୍ରିଜଟା ଙ୍କ ପିତା= ବିଭୀଷଣ ଅଟନ୍ତି।
୧୭: ବିଶ୍ଵାମିତ୍ର ରାମଙ୍କୁ ନେଇ ଯାଇଥିଲେ= ୧୦ ଦିନ ପାଇଁ ।

ଶ୍ରୀରାମଚନ୍ଦ୍ରଙ୍କ ପିତାମହ ପ୍ରପିତାମହ ଙ୍କ ନାମ କଣ ଥିଲା ? ଜାଣନ୍ତୁ:-
୧- ବ୍ରହ୍ମା ଙ୍କ ପୁତ୍ର ମରୀଚି,
୨- ମରୀଚି ଙ୍କ ପୁତ୍ର କଶ୍ୟପ,
୩- କଶ୍ୟପଙ୍କ ପୁତ୍ର ଥିଲେ ବିବସ୍ଵାନ,
୪- ବିବସ୍ଵାନଙ୍କ ପୁତ୍ର ବୈବସ୍ୱତ ମନୁ ଅଟନ୍ତି, ବୈବସ୍ଵତ ମନୁଙ୍କ ସମୟରେ ଜଳ ପ୍ରଳୟ ହୋଇଥିଲା।
୫- ବୈବସ୍ଵତ ମନୁ ଙ୍କ ଦଶ ପୁତ୍ରଙ୍କ ମଧ୍ୟରୁ ଜଣକର ନାମ ଇକ୍ଷ୍ବାକୁ ଥିଲା, ଇକ୍ଷ୍ବାକୁ ଙ୍କ ଅଯୋଧ୍ୟା ନାମକ ଏକ ରାଜଧାନୀ ଥିଲା ଏବଂ ସେ ଇକ୍ଷ୍ବାକୁ କୁଳର ସ୍ଥାପନା କରିଥିଲେ।
୬- ଇକ୍ଷ୍ବାକୁ ଙ୍କ ପୁତ୍ର କୁକ୍ଷି ଥିଲେ,
୭- କୁକ୍ଷି ଙ୍କ ପୁତ୍ରଙ୍କ ନାମ ବିକୁକ୍ଷି ଥିଲା,
୮- ବିକୁକ୍ଷି ଙ୍କ ପୁତ୍ର ଵାଣ ଥିଲେ,
୯- ଵାଣ ଙ୍କ ପୁତ୍ର ଅନରଣ୍ୟ ଥିଲେ,
୧୦- ଅନରଣ୍ୟ ଙ୍କ ଠାରୁ ପୃଥୁ ଜନ୍ମ ହୋଇଥିଲେ,
୧୧- ପୃଥୁ ଙ୍କ ଠାରୁ ତ୍ରିଶଙ୍କୁ ଜନ୍ମ ନେଇଥିଲେ,
୧୨- ତ୍ରିଶଙ୍କୁ ଙ୍କ ପୁତ୍ର ଧୁଂଧୁମାର ଥିଲେ,
୧୩- ଧୁନ୍ଧୁମାର ଙ୍କ ପୁତ୍ରଙ୍କ ନାମ ଥିଲା ଯୁବନାଶ୍ଵ,
୧୪- ଯୁବନାଶ୍ଵ ଙ୍କ ପୁତ୍ର ମାନ୍ଧାତା ଅଟନ୍ତି,
୧୫- ମାନ୍ଧାତାଙ୍କ ଠାରୁ ସୁସନ୍ଧି ଜନ୍ମ ହୋଇଥିଲେ,
୧୬- ସୁସନ୍ଧି ଙ୍କ ଦୁଇଜଣ ପୁତ୍ର ଥିଲେ- ଧ୍ରୁବସନ୍ଧି ଏବଂ ପ୍ରସେନଜିତ,
୧୭- ଧ୍ରୁବସନ୍ଧି ଙ୍କ ପୁତ୍ର ଭରତ ଅଟନ୍ତି,
୧୮- ଭରତ ଙ୍କ ପୁତ୍ର ଅସିତ ଅଟନ୍ତି,
୧୯- ଅସିତ ଙ୍କ ପୁତ୍ର ସଗର ଅଟନ୍ତି,
୨୦- ସଗର ଙ୍କ ପୁତ୍ରଙ୍କ ନାମ ଅସମଂଜ ଥିଲା,
୨୧- ଅସମଂଜ ଙ୍କ ପୁତ୍ରଙ୍କ ନାମ ଅଂଶୁମାନ ଥିଲା,
୨୨- ଅଂଶୁମାନ ଙ୍କ ପୁତ୍ରଙ୍କ ନାମ ଦିଲୀପ ଥିଲା,
୨୩- ଦିଲୀପ ଙ୍କ ପୁତ୍ର ଭଗୀରଥ ଥିଲେ, ଭଗୀରଥ ଗଙ୍ଗାଙ୍କୁ ପୃଥିବୀ ପୃଷ୍ଠକୁ ଆଣିଥିଲେ, ତାଙ୍କ ପୁତ୍ରଙ୍କ ନାମ ଥିଲା କକୁତ୍ସ୍ଥ,
୨୪- କକୁତ୍ସ୍ଥ ଙ୍କ ପୁତ୍ର ରଘୁ ଅଟନ୍ତି, ରଘୁ ଜଣେ ଅତ୍ୟନ୍ତ ତେଜସ୍ଵୀ ଏବଂ ପରାକ୍ରମୀ ରାଜା ହୋଇଥିବାରୁ ତାଙ୍କ ପରେ ତାଙ୍କ ନାମାନୁସାରେ ତାଙ୍କ ବଂଶର ନାମ ରଘୁବଂଶ ହୋଇଥିଲା, ସେହି ଦିନଠାରୁ ଶ୍ରୀରାମ ଙ୍କ ବଂଶ ରଘୁବଂଶ ନାମରେ ପରିଚିତ।
୨୫- ରଘୁ ଙ୍କ ପୁତ୍ର ପ୍ରବୃଦ୍ଧ ଅଟନ୍ତି,
୨୬- ପ୍ରବୃଦ୍ଧ ଙ୍କ ପୁତ୍ର ଶଂଖଣ ଅଟନ୍ତି,
୨୭- ଶଂଖଣ ଙ୍କ ପୁତ୍ର ସୁଦର୍ଶନ ଅଟନ୍ତି,
୨୮- ସୁଦର୍ଶନ ଙ୍କ ପୁତ୍ରଙ୍କ ନାମ ଅଗ୍ନିବର୍ଣ ଥିଲା,
୨୯- ଅଗ୍ନିବର୍ଣ ଙ୍କ ପୁତ୍ର ଶୀଘ୍ରଗ ଥିଲେ,
୩୦- ଶୀଘ୍ରଗ ଙ୍କ ପୁତ୍ର ନାମ ମରୁ ଥିଲା,
୩୧- ମରୁ ଙ୍କ ପୁତ୍ର ପ୍ରଶୁଶ୍ରୁକ ଥିଲେ,
୩୨- ପ୍ରଶୁଶ୍ରୁକ ଙ୍କ ପୁତ୍ର ଅମ୍ବରୀଷ ଥିଲେ,
୩୩- ଅମ୍ବରୀଷ ଙ୍କ ପୁତ୍ରଙ୍କ ନାମ ନହୁଷ ଥିଲା,
୩୪- ନହୁଷ ଙ୍କ ପୁତ୍ରଙ୍କ ନାମ ଯଯାତି ଥିଲା,
୩୫- ଯଯାତି ଙ୍କ ପୁତ୍ରଙ୍କ ନାମ ନାଭାଗ ଥିଲା,
୩୬- ନାଭାଗ ଙ୍କ ପୁତ୍ରଙ୍କ ନାମ ଅଜ ଥିଲା,
୩୭- ଅଜ ଙ୍କ ପୁତ୍ରଙ୍କ ନାମ ଦଶରଥ ଥିଲା,
୩୮- ଦଶରଥଙ୍କର ଚାରିଜଣ ପୁତ୍ର ରାମ, ଭରତ, ଲକ୍ଷ୍ମଣ ତଥା ଶତ୍ରୁଘ୍ନ ଥିଲା।

ଏହିପରି ବ୍ରହ୍ମାଙ୍କ ଅଣଚାଳିଶ (୩୯) ବଂଶରେ ଶ୍ରୀରାମଙ୍କ ଜନ୍ମ ହୋଇଥିଲେ। 🔱⚕️🔱 *ଧର୍ମ ଜ୍ଞାନ* 🔱⚕️🔱

ସମସ୍ତ ହିନ୍ଦୁ ସଂସ୍କାରୀଙ୍କୁ ଅନୁରୋଧ ଏହାକୁ ଧୋର୍ଯ୍ୟର ସହ ପଢି ନିଜର ଯୁବ ପୀଢ଼ିଙ୍କ ଧର୍ମ ଜ୍ଞାନକୁ ବଢାଇବା ପାଇଁ ଅଧିକ ରୁ ଅଧିକ ଅନ୍ୟଙ୍କୁ ଅଗ୍ରସର କରିବା ପାଇଁ ଚେଷ୍ଟା କରିବେ ।

ମହାଭାରତ:-
ପାଣ୍ଡୁ ଓ ଧୃତରାଷ୍ଟ୍ର ଦୁଇ ଭ୍ରାତା ଥିଲେ ।

ପାଣ୍ଡଵମାନେ ପାଞ୍ଚ ଭାଇଥିଲେ ଯାହାଙ୍କ ନାମ –

୧.ଯୁଧିଷ୍ଠିର ୨.ଭୀମ ୩.ଅର୍ଜୁନ ୪.ନକୁଳ ୫.ସହଦେଵ

ଏଠି ଧ୍ୟାନ ରହେ ଯେ …. ପାଣ୍ଡୁଙ୍କ ଉପରୋକ୍ତ ପାଞ୍ଚ ପୁତ୍ର ମଧ୍ୟରୁ ଯୁଧିଷ୍ଠିର, ଭୀମ ଓ ଅର୍ଜୁନ ମାତା କୁନ୍ତୀଙ୍କ ପୁତ୍ର ଥିଲେ । ନକୁଳ ଓ ସହଦେଵ ମାତା ମାଦ୍ରୀଙ୍କ ପୁତ୍ର ଥିଲେ ।

ଏହି ପାଞ୍ଚ ଜଣଙ୍କ ଛଡା, ମହବଳୀ କର୍ଣ୍ଣ ମଧ୍ୟ କୁନ୍ତୀଙ୍କ ପୁତ୍ର ଥିଲେ, କିନ୍ତୁ ତାଙ୍କୁ ପାଣ୍ଡବମାନଙ୍କ ଭିତରେ ଗଣା ଯାଏନାହିଁ ।

ଅନ୍ୟପକ୍ଷରେ କୌରବରେ,
ଧୃତରାଷ୍ଟ୍ର ଓ ଗାନ୍ଧାରୀଙ୍କ ଶତ ପୁତ୍ର ଥିଲେ । ଯାହାଙ୍କ ନାମ :-

୧.ଦୁର୍ଯ୍ୟୋଧନ ୨.ଦୁଃଶାସନ ୩.ଦୁଃସହ ୪.ଦୁଃଶଳ ୫.ଜଳସନ୍ଧ ୬.ସମ ୭.ସହ ୮.ବିନ୍ଦ ୯.ଅନୁବିନ୍ଦ ୧୦.ଦୁର୍ଦ୍ଧର୍ଷ ୧୧.ସୁବାହୁ ୧୨.ଦୁଷପ୍ରଦର୍ଶନ ୧୩.ଦୁର୍ମର୍ଷଣ ୧୪.ଦୁର୍ମୁଖ ୧୫.ଦୁଷ୍କର୍ଣ ୧୬.ବିକର୍ଣ୍ଣ ୧୭.ଶଳ ୧୮.ସତ୍ୱାନ ୧୯.ସୁଲୋଚନ ୨୦.ଚିତ୍ର ୨୧.ଉପଚିତ୍ର ୨୨.ଚିତ୍ରାକ୍ଷ ୨୩.ଚାରୁଚିତ୍ର ୨୪.ଶରାସନ ୨୫.ଦୁର୍ମଦା ୨୬.ଦୁର୍ବିଗାହ ୨୭.ବିବିତ୍ସୁ ୨୮.ବିକଟାନନ୍ଦ ୨୯.ଉର୍ଣ୍ଣନାଭ ୩୦.ସୁନାଭ ୩୧.ନନ୍ଦ ୩୨.ଉପନନ୍ଦ ୩୩.ଚିତ୍ରବାଣ ୩୪.ଚିତ୍ରବର୍ମା ୩୫.ସୁବର୍ମା ୩୬.ଦୁର୍ବିମୋଚନ ୩୭.ଅୟୋବାହୁ ୩୮.ମହାବାହୁ ୩୯.ଚିତ୍ରାଙ୍ଗ ୪୦.ଚିତ୍ରକୁଣ୍ଡଳ ୪୧.ଭୀମବେଗ ୪୨.ଭୀମବଳ ୪୩.ବାଲାକୀ ୪୪.ବଳବର୍ଦ୍ଧନ ୪୫.ଉଗ୍ରାଯୁଦ୍ଧ ୪୬.ସୁଷେର୍ଣ ୪୭.କୁଣ୍ଡଧର ୪୮.ମହଦୋର ୪୯.ଚିତ୍ରାଯୁଦ୍ଧ ୫୦.ନିସଙ୍ଗୀ ୫୧.ପାସି ୫୨.ବୃନ୍ଦାରକ ୫୩.ଦୃଢ଼ବର୍ମା ୫୪.ଦୃଢ଼କ୍ଷେତ୍ର ୫୫.ସୋମକୀର୍ତ୍ତି ୫୬.ଅନୁଦର ୫୭.ଦଢସଂଘ ୫୮.ଜରାସଂଘ ୫୯.ସତ୍ୟସଂଘ ୬୦.ସଦସୁବାକ ୬୧.ଉଗ୍ରଶ୍ରବା ୬୨.ଉଗ୍ରସେନ ୬୩.ସେନାନୀ ୬୪.ଦୁଷ୍ପରାଜୟ ୬୫.ଅପରାଜିତ ୬୬.କୁଣ୍ଡସାୟୀ ୬୭.ବିଶାଲାକ୍ଷ ୬୮.ଦୁରାଧର ୬୯.ଦ୍ରୁଢହସ୍ତ ୭୦.ସୁହସ୍ତ ୭୧.ବାତବେଗ ୭୨.ସୁବର୍ଚ୍ଚ ୭୩.ଆଦିତ୍ୟକେତୁ ୭୪.ବହ୍ମାଶ୍ରୀ ୭୫.ନାଗଦତ୍ତ ୭୬.ଉଗ୍ରସାୟୀ ୭୭.କବଚି ୭୮.କ୍ରଥନ ୭୯.କୁଣ୍ଡି ୮୦.ଭୀମବିକ୍ର ୮୧.ଧନୁର୍ଦ୍ଧର ୮୨.ବିରବା ୮୩.ଅଳଲୁପ ୮୪.ଅଭୟ ୮୫.ଦୃଢ଼କର୍ମା ୮୬.ଦୃଢ଼ରଥାଶ୍ରୟ ୮୭.ଅନାଧୃଷ୍ୟ ୮୮.କୁଣ୍ଡଭେଦି ୮୯.ବିରବୀ ୯୦.ଚିତ୍ରକୁଣ୍ଡଳ ୯୧.ପ୍ରଧମ ୯୨.ଅମାପ୍ରମାଥି ୯୩.ଦୀର୍ଘରୋମା ୯୪.ସୁବିର୍ଯ୍ୟଵାନ ୯୫.ଦୀର୍ଘବାହୁ ୯୬.ସୁଜାତ ୯୭.କନକଧ୍ୱଜ ୯୮.କୁଣ୍ଡାଶୀ ୯୯.ବିରଜ ୧୦୦.ଯୁଜୁସ୍ତୁ ।

ଏହି ଶତଭ୍ରାତା ଛଡା କୌରବର ଗୋଟିଏ ଭଗ୍ନୀ ବି ଥିଲା, ଯାହାର ନାମ ଦୃଶଳା ଥିଲା ଏବଂ ତାହାର ବିବାହ ଜୟଦ୍ରଥ ସହିତ ହୋଇଥିଲା ।

*ଶ୍ରୀମଦ ଭାଗବତ ଗୀତା :-
ଓଁ- ଗୀତା କିଏ କାହାକୁ ଶୁଣାଇ ଥିଲେ ?
ଉ- ଶ୍ରୀକୃଷ୍ଣ ଅର୍ଜୁନଙ୍କୁ ଶୁଣାଇ ଥିଲେ।
ଓଁ- କେବେ ଶୁଣାଇ ଥିଲେ ?
ଉ- ଆଜିକୁ ପ୍ରାୟ ୭ ହଜାର ବର୍ଷ ଆଗେ।
ଓଁ- କେଉଁ ବାରରେ ଗୀତା ଶୁଣାଇ ଥିଲେ ?
ଉ- ରବିବାର ।
ଓଁ- କେଉଁ ତିଥିରେ ?
ଉ- ଏକାଦଶୀ ।
ଓଁ- କୋଉଠି ଶୁଣାଇଥିଲେ ?
ଉ- କୁରୁକ୍ଷେତ୍ର ର ଯୁଦ୍ଧ କ୍ଷେତ୍ରରେ।
ଓଁ- କେତେ ସମୟରେ ଶୁଣାଇ ଥିଲେ ?
ଉ- ପାଖା ପାଖି ୪୫ ମିନିଟରେ।
ଓଁ- କାହିଁକି ଶୁଣାଇ ଥିଲେ ?
ଉ- କର୍ତ୍ତବ୍ୟରୁ ଓହରି ଯାଇଥିବା ଅର୍ଜୁନଙ୍କୁ କର୍ତ୍ତବ୍ୟ ଶିଖାଇବା ପାଇଁ ଓ ଭବିଷ୍ୟତରେ ମାନବ ସମାଜକୁ ଧର୍ମ ବିଷୟକ ଜ୍ଞାନ ଶିଖିବା ଲାଗି।
ଓଁ- ଗୀତାରେ କେତେ ଅଧ୍ୟାୟ ?
ଉ- ୧୮ ଅଧ୍ୟାୟ।
ଓଁ- କେତୋଟି ଶ୍ଳୋକ ଅଛି ?
ଉ- ୭୦୦ ଶ୍ଳୋକ।
ଓଁ- ଗୀତାରେ କେଉଁ କେଉଁ ବିଷୟରେ ଚର୍ଚ୍ଚା ହୋଇଛି ?
ଉ- ଜ୍ଞାନ-ଭକ୍ତି-କର୍ମ ଯୋଗର ବିସ୍ତୃତ ବ୍ୟାଖ୍ୟା କରାଯାଇଛି। ଏହି ମାର୍ଗରେ ଚାଲିଲେ ଜଣେ ବ୍ୟକ୍ତି ପରମ ପଦର ଅଧିକାରୀ ହୋଇପାରିବ।
ଓଁ- ଗୀତାକୁ ଅର୍ଜୁନଙ୍କ ଛଡା କିଏ କିଏ ଶୁଣିଥିଲେ ?
ଉ- ଧ୍ରୁତରାଷ୍ଟ୍ର ଓ ସଞ୍ଜୟ।
ଓଁ- ଅର୍ଜୁନଙ୍କ ଆଗରୁ ଗୀତାର ପାବନ ଜ୍ଞାନ କାହାକୁ ମିଳିଥିଲା ?
ଉ- ଭଗବାନ ସୂର୍ଯ୍ୟ ଦେବତାଙ୍କୁ।
ଓଁ- ଗୀତାର ଗଣନା କୋଉ ଧର୍ମ ଗ୍ରନ୍ଥରେ ମିଳେ ?
ଉ- ଉପନିଷଦ ରେ।
ଓଁ- ଗୀତା କେଉଁ ମହାଗ୍ରନ୍ଥର ଭାଗ ଅଟେ ?
ଉ- ଗୀତା ମହାଭାରତର ଶାନ୍ତି ପର୍ବର ଏକ ଭାଗ ଅଟେ।
ଓଁ- ଗୀତାର ଅନ୍ୟ ନାମ କଣ ?
ଉ- ଗୀତୋପନିଷଦ।
ଓଁ- ଗୀତାର ସାର କଣ ?
ଉ- ପ୍ରଭୁ ଶ୍ରୀ କୃଷ୍ଣଙ୍କର ଶରଣ ଯିବା।
ଓଁ- ଗୀତାରେ କିଏ କେତେ ଶ୍ଳୋକ କହିଥିଲେ ?
ଉ- ଶ୍ରୀ କୃଷ୍ଣ-୫୭୪, ଅର୍ଜୁନ-୮୫, ଧୃତରାଷ୍ଟ୍ର-୧ ଏବଂ ସଞ୍ଜୟ- ୪୦।

ଅଳ୍ପ ଜ୍ଞାନ ବିପଦପୂର୍ଣ୍ଣ

ହିନ୍ଦୁମାନଙ୍କ ତେତିଶ(୩୩) କୋଟି ଦେବୀ ଦେବତା ନୁହେଁ ଏହା ତେତିଶ(୩୩) କୋଟି ।

ଏଠି “କୋଟି” ଅର୍ଥ “ପ୍ରକାର” ।

ଦେବନଗରୀ (ସଂସ୍କୃତ) ଭାଷାରେ “କୋଟି” ର ଦୁଇଟି ଅର୍ଥ ରହିଛି ଗୋଟିଏ କୋଟି (ପ୍ରକାର) ଅନ୍ୟ କୋଟି (ସଂଖ୍ୟା) କୁ ବୁଝାଯାଏ ।

ହିନ୍ଦୁ ଧର୍ମର ଦୁଃପ୍ରଚାର କରିବା ପାଇଁ କିଛି ବ୍ୟକ୍ତି ଏହି କଥାକୁ ଭୁଲ ଅର୍ଥରେ ଉଡାଇ ଚାଲିଛନ୍ତି । ଆଉ ଏବେତ କିଛି ଅଜ୍ଞାନୀ ହିନ୍ଦୁ ଏହା ଗାଇ ଚାଲିଛନ୍ତି ଯେ ଆମର ତେତିଶ କୋଟି ଦେବୀ ଦେବତା ଅଛନ୍ତି…. ଅଥଚ ଅନ୍ୟ ଧର୍ମର ଧର୍ମଗୁରୁ ମନେ ସେମାନଙ୍କ ନାମ ପଚାରିଲା ବେଳକୁ ଏ ଅଜ୍ଞାନୀ ମାନେ ମୁକ ହୋଇ ଯାଆନ୍ତି ।

ସର୍ବମୋଟ ତେତିଶ (୩୩) ପ୍ରକାର ଦେବୀ ଦେବତା ହିନ୍ଦୁ ଧର୍ମରେ ଅଛନ୍ତି ।

*ବାର(୧୨) ପ୍ରକାର :- ଆଦିତ୍ୟ:
୧.ଧାତା, ୨.ମିତ, ୩.ଅର୍ଯ୍ୟାମା, ୪.ଶକ୍ରା, ୫.ବରୁଣ, ୬.ଅଂଶ, ୭.ଭାଗ, ୮.ବିବାସ୍ୱାନ, ୯.ପୁଷ, ୧୦.ତବସ୍ଥା, ୧୧.ସବିତା ଏବଂ ୧୨.ବିଷ୍ଣୁ ..।

ଆଠ (୮) ପ୍ରକାର:- ବାସୁ:
୧.ଘର, ୨.ଧ୍ରୁବ, ୩.ସୋମ, ୪.ଅହ, ୫.ଅନୀଳ, ୬.ଅନଳ, ୭.ପ୍ରତୁଷ ଏବଂ ୮.ପ୍ରଭାଷ…।
*ଏଗାର (୧୧) ପ୍ରକାର :- ରୁଦ୍ର:
୧.ହର, ୨.ବହୁରୂପ, ୩.ତ୍ରୟଂବକ, ୪.ଅପରାଜିତା, ୫.ବୃଷାକାପି, ୬.ଶମ୍ଭୁ, ୭.କପାଆର୍ଡି, ୮.ରେବାତ, ୯.ମୃଗବ୍ୟାଧ, ୧୦.ଶର୍ବା ଏବଂ ୧୧.କପାଳି…।
ଏବଂ
*ଦୁଇ (୨) ପ୍ରକାର :-
୧.ଅଶ୍ୱିନୀ, ୨.କୁମାର…।

ସର୍ବମୋଟ:- ୧୨+୮+୧୧+୨=୩୩ କୋଟି (ପ୍ରକାର)…।

ଦେବୀ ଦେବତାଙ୍କ ପାଖରେ ହାତ ଯୋଡି ପ୍ରାର୍ଥନା କରିବା ପୂର୍ବରୁ ଉପର ଲିଖିତ ସମସ୍ତ ତଥ୍ୟ ଜାଣିବା ସାଧାରଣତଃ ଜଣେ ହିନ୍ଦୁଙ୍କ ପକ୍ଷରେ ନିହାତି ଆବଶ୍ୟକ।

ଭାରତ ସଂସ୍କୃତି ତଥା ହିନ୍ଦୁ ଶାସ୍ତ୍ର ସହିତ ଜଡ଼ିତ କିଛି ସାଧାରଣ କଥା ଯାହା ସମସ୍ତଙ୍କ ଗୋଚରରେ ରହିବା ଆବଶ୍ୟକ ।

ଦୁଇ (୨) ପକ୍ଷ :-
୧.କୃଷ୍ଣ ପକ୍ଷ, ୨.ଶୁକ୍ଳ ପକ୍ଷ ।

ତିନି (୩) ଋଣ :-
୧.ଦେବ ଋଣ, ୨.ପିତୃ ଋଣ, ୩.ଋଷି ଋଣ ।

ଚାରି (୪) ଯୁଗ :-
୧.ସତ୍ୟ ଯୁଗ, ୨.ତ୍ରେତୟା ଯୁଗ, ୩.ଦ୍ୱାପର ଯୁଗ, ୪.କଳି ଯୁଗ ।

ଚାରି (୪) ଧାମ :-
୧.ଦ୍ଵାରିକା, ୨.ବଦ୍ରିନାଥ, ୩.ଜଗନ୍ନାଥ, ୪.ରାମେଶ୍ୱମ ।

ଚାରି (୪) ପୀଠ :-
୧.ଶାରଦା ପୀଠ (ଦ୍ଵାରିକା, ଗୁଜୁରାଟ), ୨.ଜ୍ୟୋତିଷ ପୀଠ (ଯୋଶୀମଠ, ବଦ୍ରିଧାମ, ଉତ୍ତରାଖଣ୍ଡ ), ୩.ଗୋବର୍ଦ୍ଧନ ପୀଠ (ଜଗନ୍ନାଥ, ପୁରୀ, ଓଡ଼ିଶା), ୪.ଶୃଙ୍ଗେରୀ ଶାରଦା ପୀଠ (ଶୃଙ୍ଗେରୀ, କର୍ଣ୍ଣାଟକ) ।

ଚାରି (୪) ବେଦ :-
୧.ରୁକବେଦ, ୨.ଅଥର୍ବେଦ, ୩.ଯଦୁର୍ବେଦ, ୪.ସାମ ବେଦ ।

ଚାରି (୪) ଆଶ୍ରମ :-
୧.ବ୍ରହ୍ମଚର୍ଯ୍ୟ, ୨.ଗୃହସ୍ଥ, ୩.ବାନପ୍ରସ୍ଥ, ୪.ସନ୍ୟାସ ।

ଚାରି (୪) ଅନ୍ତ :-
୧.ମନ, ୨.ବୁଦ୍ଧି, ୩.ଚିତ୍ତ, ୪.ଅହଙ୍କାର ।

ପଞ୍ଚ ଅମୃତ :-
୧.ଗାଈ ଘିଅ, ୨.ଗାଈ ଦୁଗ୍ଧ, ୩.ଦହି, ୪.ଗୋମୂତ୍ର, ୫.ଗୋବର ।

ପଞ୍ଚ (୫) ଦେଵତା :-
୧.ଗଣେଶ, ୨.ବିଷ୍ଣୁ, ୩.ଶିଵ, ୪.ଦେବୀ, ୫.ସୂର୍ଯ୍ୟ ।

ପଞ୍ଚ (୫) ତତ୍ତ୍ୱ :-
୧.ପୃଥିବୀ, ୨.ଜଳ, ୩.ଅଗ୍ନି, ୪.ବାୟୁ, ୫.ଆକାଶ ।

ଛଅ (୬) ଦର୍ଶନ :- ୧.ବୈଶେଷିକ, ୨.ନ୍ୟାୟ, ୩.ସାଂକ୍ଷ, ୪.ଯୋଗ, ୫.ପୂର୍ବ ମିମାଂସା, ୬.ଦକ୍ଷିଣ ମିମାଂସା ।

ସପ୍ତ (୭) ଋଷି :-
୧.ବିଶ୍ଵାମିତ୍ର, ୨.ଜମଦଗ୍ନି, ୩.ଭରଦ୍ୱାଜ, ୪.ଗୌତମ, ୫.ଅତ୍ରି, ୬.ବଶିଷ୍ଠ, ୭.କଶ୍ୟପ ।

ସପ୍ତ (୭) ପୁର :-
୧.ଅଯୋଧ୍ୟା ପୁର, ୨.ମଥୁରା ପୁର, ୩.ମାୟା ପୁର (ହରିଦ୍ୱାର), ୪.କାଶୀ, ୫.କାଞ୍ଚି (ଶିନ କାଞ୍ଚି-ବିଷ୍ଣୁ କାଞ୍ଚି), ୬.ଅବନ୍ତିକା, ୭.ଦ୍ଵାରିକା ପୁର ।

ଅଷ୍ଟ (୮) ଯୋଗ :-
୧.ଯମ, ୨.ନିୟମ, ୩.ଆସନ, ୪.ପ୍ରାଣାୟାମ, ୫.ପ୍ରତ୍ୟାହାର, ୬.ଧାରଣା, ୭.ଧ୍ୟାନ ୮.ସମୀଧ ।

ଅଷ୍ଟ (୮) ଲକ୍ଷ୍ମୀ :-
୧.ଆଗ୍ଧ, ୨.ବିଧା, ୩.ସୌଭାଗ୍ୟ, ୪.ଅମୃତ, ୫.କାମ, ୬.ସତ୍ୟ, ୭.ଭୋଗ, ୮.ଲକ୍ଷ୍ମୀ ।

ନବ (୯) ଦୁର୍ଗା :-
୧.ଶୈଳି ପୁତ୍ରୀ, ୨.ବ୍ରହ୍ମଚାରିଣୀ, ୩.ଚନ୍ଦ୍ରଘଣ୍ଟା, ୪.କୁଷ୍ମାଣ୍ଡ, ୫.ସ୍କାଦମାତା, ୬.କାନ୍ୟାୟିନୀ, ୭.କାଳରାତ୍ରୀ, ୮.ମହାଗୌରୀ, ୯.ସିଦ୍ଧିଦାତ୍ରୀ ।

ଦଶ (୧୦) ଦିଗ :-
୧.ପୂର୍ବ, ୨.ପଶ୍ଚିମ, ୩.ଉତ୍ତର, ୪.ଦକ୍ଷିଣ, ୫.ଐଶ୍ୱନ, ୬.ନୈରୁତ, ୭.ବାୟୁ, ୮.ଅଗ୍ନି, ୯.ଆକାଶ, ୧୦.ପାତାଳ ।

ଏଗାର (୧୧) ଅବତାର :-
୧.ମତ୍ସ, ୨.କଛପ, ୩.ବରାହ, ୪.ନୃସିଂହ, ୫.ବାମନ, ୬.ପର୍ଶୁରାମ, ୭.ଶ୍ରୀରାମ, ୮.କୃଷ୍ଣ, ୯.ବଳରାମ, ୧୦.ବୁଦ୍ଧ, ୧୧.କଳ୍କୀ ।

ବାର (୧୨) ମାସ :-
୧.ଚୈତ୍ର, ୨.ବୈଶାଖ, ୩.ଜ୍ୟେଷ୍ଠ, ୪.ଆଷାଢ଼, ୫.ଶ୍ରାବଣ, ୬.ଭାଦ୍ରବ, ୭.ଆଶ୍ୱିନୀ, ୮.କାର୍ତ୍ତିକ, ୯.ମାର୍ଗଶୀର, ୧୦.ପୌଷ, ୧୧.ମାଘ, ୧୨.ଫାଲଗୁନ ।

ବାର (୧୨) ରାଶି :-
୧.ମେଷ, ୨.ବୃଷ, ୩.ମିଥୁନ, ୪.କର୍କଟ, ୫.ସିଂହ, ୬.କନ୍ୟା, ୭.ତୁଳା, ୮.ବୃଶ୍ଚିକ, ୯.ଧନୁ, ୧୦.ମକର, ୧୧.କୁମ୍ଭ, ୧୨.ମୀନ ।

ବାର (୧୨) ଜ୍ୟୋତ୍ରିଲିଙ୍ଗ :-
୧.ସୋମନାଥ, ୨.ମଲିକାର୍ଜୁନ, ୩.ମହାକାଳ, ୪.ଓମକାଶ୍ୱର, ୫.ବୈଦନାଥ, ୬.ରାମେଶ୍ବରମ, ୭.ବିଶ୍ୱନାଥ, ୮.ତ୍ରୈମ୍ବେକେଶ୍ୱର, ୯.କେଦାରନାଥ, ୧୦.ଘୁଷୁନେଶ୍ୱର, ୧୧.ଭିମାଶଙ୍କର, ୧୨.ନଗେଶ୍ୱର ।

ପନ୍ଦର (୧୫) ତିଥି :-
୧.ପ୍ରତିପଦା, ୨.ଦ୍ଵିତୀୟା, ୩.ତୃତୀୟା, ୪.ଚତୁର୍ଥୀ, ୫.ପଞ୍ଚମୀ, ୬.ଷଷ୍ଠୀ, ୭.ସପ୍ତମୀ, ୮.ଅଷ୍ଟମୀ, ୯.ନବମୀ, ୧୦.ଦଶମୀ, ୧୧.ଏକାଦଶୀ, ୧୨.ଦ୍ଵାଦଶୀ, ୧୩.ତ୍ରୟୋଦଶୀ, ୧୪.ଚତୁର୍ଦ୍ଦଶୀ, ୧୫.ପୂର୍ଣ୍ଣିମା/ଅମାବାସ୍ୟା ।

ଉଣେଇଶି (୧୯) ସ୍ମୃତି :-
୧.ମନୁ, ୨.ବିଷ୍ଣୁ, ୩.ଅତ୍ରି, ୪.ହାରିତ, ୫.ଯଜ୍ଞବଲକ୍ୟ, ୬.ଉଶନା, ୭.ଅଙ୍ଗିରା, ୮.ଯମ, ୯.ଆପସ୍ତମ୍ବ, ୧୦.ସର୍ବତ, ୧୧.କନ୍ୟାୟନ, ୧୨.ବ୍ରହଷ୍ପତି, ୧୩.ପରାଶର, ୧୪.ବ୍ୟାସ, ୧୫.ସାଂଖ୍ୟ, ୧୬.ଲିକ୍ଷିତ, ୧୭.ଦକ୍ଷ, ୧୮.ଶତାତପ, ୧୯.ବଶିଷ୍ଠ ।

ଦୁନିଆର ଶ୍ରେଷ୍ଠ ବ୍ରାହ୍ମଣ
୧.ସବୁଠୁ ବଡ ଯୋଦ୍ଧା-ଭଗବାନ ପର୍ଶୁରାମ,
୨.ସବୁଠୁ ବଡ ପଣ୍ଡିତ-ଲଙ୍କାପତି, ରାବଣ,
୩.ସବୁଠୁ ବଡ ଇତିହାସକାର-ମହର୍ଷି ବେଦବ୍ୟାସ,
୪.ସବୁଠୁ ବଡ଼ ରଜନୀତିଜ୍ଞ-ବିଷ୍ଣୁଗୁପ୍ତ ଚାଣକ୍ୟ,
୫.ସବୁଠୁ ବଡ଼ ପରୀକ୍ଷକ-ମହର୍ଷି ଭୃଗୁ,
୬.ସବୁଠୁ ବଡ଼ ଦାନୀ-ମହର୍ଷି ଦଧିଚୀ,
୭.ସବୁଠୁ ବଡ କ୍ରୋଧି-ଦୁର୍ବାସା ମୁନି,
୮.ସବୁଠୁ ବଡ ଶାନ୍ତ-ମହର୍ଷି ବଶିଷ୍ଠ,
୯.ସବୁଠୁ ବଡ ଗଣିତଜ୍ଞ-ଶ୍ରୀମାନ ଆର୍ଯ୍ୟଭଟ୍ଟ,
୧୦.ସବୁଠୁ ବଡ଼ ଗରିବ-ବନ୍ଧୁ ସୁଦାମା,

ସମସ୍ତ ହିନ୍ଦୁ ସଂସ୍କାରୀମାନଙ୍କୁ ଅନୁରୋଧ , ଏହି ସଂସ୍କୃତି ନିଜ ପରିବାରର ଆଗାମୀ ପିଢିଙ୍କୁ ଶିକ୍ଷା ଦେବା ସହିତ ଅନ୍ୟ ମାନଙ୍କୁ ଏହି ଜ୍ଞାନକୁ ଅଗ୍ରସର କରାଇବେ ।. ସଂସ୍କୃତି ଫାଉଣ୍ଡେସନ ଟ୍ରଷ୍ଟ । ଭୁବନେଶ୍ଵର ।

ଛୋଟ କଥା ବଡ ଅର୍ଥ ।

–୧- ଥରେ ଗ୍ରାମବାସୀ ମାନେ ନିର୍ଣ୍ଣୟ ନେଲେକି ବର୍ଷା ପାଇଁ ସେମାନେ ପ୍ରାର୍ଥନା କରିବେ, ପ୍ରାର୍ଥନା ଦିନ ସମସ୍ତେ ଏକସ୍ଥାନରେ ଏକତ୍ରିତ ହେଲେ, ପରନ୍ତୁ ଗୋଟିଏ ପିଲା ସାଙ୍ଗରେ ଛତା ଟିଏ ଆଣି ଆସିଥିଲା । ଏହାକୁ କୁହାଯାଏ ଆସ୍ଥା ।୨-ଯେବେ ଆପଣ ଏକ ପିଲାକୁ ଶୂନ୍ୟକୁ ଫୋପାଡି ଧରନ୍ତି, ତେବେ ସେ ହସୁଥାଏ, କାରଣ ସେ ଜାଣିଥାଏ ଯେ ଆପଣ ତାକୁ ଧରିବେ । ଏହାକୁ କୁହଯାଏ ବିଶ୍ଵାସ ।୩-ପ୍ରତ୍ୟେକ ରାତ୍ରିରେ ଆମେ ଶୋଇବାକୁ ଯାଉ, […]

ଛୋଟ କଥା ବଡ ଅର୍ଥ ।

ଛୋଟ କଥା ବଡ ଅର୍ଥ ।


୧- ଥରେ ଗ୍ରାମବାସୀ ମାନେ ନିର୍ଣ୍ଣୟ ନେଲେକି ବର୍ଷା ପାଇଁ ସେମାନେ ପ୍ରାର୍ଥନା କରିବେ, ପ୍ରାର୍ଥନା ଦିନ ସମସ୍ତେ ଏକସ୍ଥାନରେ ଏକତ୍ରିତ ହେଲେ, ପରନ୍ତୁ ଗୋଟିଏ ପିଲା ସାଙ୍ଗରେ ଛତା ଟିଏ ଆଣି ଆସିଥିଲା । ଏହାକୁ କୁହାଯାଏ ଆସ୍ଥା ।
୨-ଯେବେ ଆପଣ ଏକ ପିଲାକୁ ଶୂନ୍ୟକୁ ଫୋପାଡି ଧରନ୍ତି, ତେବେ ସେ ହସୁଥାଏ, କାରଣ ସେ ଜାଣିଥାଏ ଯେ ଆପଣ ତାକୁ ଧରିବେ । ଏହାକୁ କୁହଯାଏ ବିଶ୍ଵାସ ।
୩-ପ୍ରତ୍ୟେକ ରାତ୍ରିରେ ଆମେ ଶୋଇବାକୁ ଯାଉ, ତେବେ ଏ କଥାର କୌଣସି ଗ୍ୟାରେଣ୍ଟି ନଥାଏ କି ସକାଳ ପର୍ଯ୍ୟନ୍ତ ଜୀବିତ ରହିବା, ପୁଣି ବି ଆମେ ଘଡିରେ ଆଲାର୍ମ ଲଗାଇ ଶୋଇଥାଉ । ଏହାକୁ କୁହାଯାଏ ଆଶା ।
୪- ଆମକୁ ଆମ ଭବିଷ୍ୟତ ବିଷୟରେ କିଛି ବି ଜ୍ଞାନ ନଥାଏ, ପୁଣି ବି ଆମେ ଆସନ୍ତା ଦିନଗୁଡିକ ପାଇଁ ବଡ ବଡ ଯୋଜନା କରିଥାଉ । ଏହାକୁ କୁହାଯାଏ ଆତ୍ମବିଶ୍ଵାସ ।
୫- ଆମେ ଦେଖୁଛେ ସଂସାର ବଡ କଷ୍ଟରେ ଚଳୁଛି, ତଥାପି ଆମେ ବିବାହ କରୁଛେ । ଏହାକୁ କୁହାଯାଏ ପ୍ରେମ ।
୬- ଏକ ୬୦ବର୍ଷ ବୟସର ବ୍ୟକ୍ତି ତା ସାର୍ଟରେ ଲେଖାଇ ଥିଲା ‘ ମୋର ବୟସ ୬୦ ନୁହଁ, ମୁଁ ତ କେବଳ ୧୬ ବୟସର- ୪୪ ବର୍ଷର ଅନୁଭବ ସହିତ । ଏହାକୁ କୁହାଯାଏ ଦୃଷ୍ଟିଭଙ୍ଗୀ ।
ଏ ସବୁ ହେଲା ଉପଲବ୍ଧି ।
–ଜୟ ଜଗନ୍ନାଥ —

Design a site like this with WordPress.com
Get started